📌 দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ জানান, বাংলাদেশের বিশেষ পরিস্থিতির কারণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে পারছেন না। তিনি বলেন, এটিকে প্রত্যাখ্যান বলা যেতে পারে না, বরং একটি সিদ্ধান্ত যা বিশেষ পরিস্থিতির কারণে নেওয়া হয়েছে
ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুপস্থিতির পিছনে বাংলাদেশের বিশেষ রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি দায়ী। দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ইন্ডিয়া টুডে-র ব্রিকস গোলটেবিল বৈঠকে এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে না পারার সিদ্ধান্তটি বাংলাদেশের বিশেষ প্রেক্ষাপট ও পরিস্থিতির কারণে নেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে পারছেন না — বাংলাদেশের বিশেষ পরিস্থিতির কারণে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে
- 📌 হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ বলেন, এটিকে ‘অস্বীকৃতি’ বলা যেতে পারে না, বরং একটি সিদ্ধান্ত যা বিশেষ পরিস্থিতির কারণে নেওয়া হয়েছে
- 📌 বিমসটেকের চেয়ার হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছে, যা আঞ্চলিক সংস্থাগুলোর জন্য একটি রেওয়াজে পরিণত হয়েছে
- 📌 দিল্লির অনেকেই জানেন যে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এই বিষয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা হয়েছে
- 📌 ব্রিকস সম্মেলন দক্ষিণ এশিয়ায় অনুষ্ঠিত হলে, আঞ্চলিক সংস্থাগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো একটি যুক্তিযুক্ত বিষয়
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ইন্ডিয়া টুডে-র ব্রিকস গোলটেবিল বৈঠকে রিয়াজ হামিদুল্লাহকে প্রশ্ন করা হয় যে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন এবং বাংলাদেশে সুসংহত অবস্থানে আছেন, তবুও তিনি বিমসটেকের চেয়ার হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। প্রশ্নের উত্তরে রিয়াজ হামিদুল্লাহ বলেন, ‘আপনি এটিকে অস্বীকৃতি বা প্রত্যাখ্যান হিসেবে সংজ্ঞায়িত করতে পারেন, তবে আমি বা অন্য কেউ এটাকে সেভাবে দেখতে চাই না।’ তিনি আরও বলেন, ‘এক সাড়ে ছয় মাস হলো বাংলাদেশে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের অবস্থান। কিন্তু বিশেষ পরিস্থিতির কারণে প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনে যোগ দিতে পারছেন না।’
রিয়াজ হামিদুল্লাহ বলেন, আঞ্চলিক বা উপ-আঞ্চলিক সংস্থাগুলোকে ব্রিকস বা অন্যান্য সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো একটি রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। তিনি মনে করেন, এটি একটি স্বাগত জানানোর মতো বিষয়। তবে, ব্রিকস সম্মেলন দক্ষিণ এশিয়ায় অনুষ্ঠিত হলে, আঞ্চলিক সংস্থাগুলোর প্ল্যাটফর্মকে আমন্ত্রণ জানানো একটি যুক্তিযুক্ত বিষয়। তিনি বলেন, ‘আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা বা অন্যান্য অঞ্চলে এমনটা দেখা যায়।’
রিয়াজ হামিদুল্লাহ আরও জানান, দিল্লির অনেকেই এই বিষয়ে জানেন যে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি শুধু আপনি নন, দিল্লির অনেকেই এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত এবং তারা জানেন যে, এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
"আপনি একে ‘অস্বীকৃতি’ বা ‘প্রত্যাখ্যান’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করতেই পারেন, তবে আমি বা অন্য কেউ এটাকে সেভাবে দেখবে বলে আমার মনে হয় না। ঠিক সাড়ে ছয় মাস হলো বাংলাদেশে আমাদের একটি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার রয়েছেন। এবং সেখানে একটি বিশেষ প্রেক্ষাপট ও পরিস্থিতি ছিল, যার কারণে মূলত প্রধানমন্ত্রী এসে সম্মেলনে যোগ দিতে না পারার সিদ্ধান্তটি নিয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রিয়াজ হামিদুল্লাহ (বাংলাদেশের হাইকমিশনার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ সেপ্টেম্বর (বৈঠকের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!