📌 বান্দরবানের কুহালং ইউনিয়নের একমাত্র সেতু ধসে তিন বছর ধরে এলাকাবাসীর যাতায়াত ও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সেতুটি ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, নতুন সেতু নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে
বান্দরবান সদর উপজেলার কুহালং ইউনিয়নের ক্যামলং ছড়ার ওপর নির্মিত একমাত্র সেতুটি তিন বছর আগে ধসে যাওয়ার পর থেকে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে টানা বৃষ্টি ও বন্যার কারণে সেতুটি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে যায়। এর ফলে ক্যামলংপাড়া, ভাঙ্গামুড়াপাড়া, বড়ুয়াপাড়া, মারমাপাড়া, ঢলুপাড়া, চেমীর মুখ, গোয়ালিয়া খোলাসহ কয়েকটি পাড়ার প্রায় পাঁচ হাজার বাসিন্দাকে প্রতিদিনই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেতু পার হতে হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুহালং ইউনিয়নের একমাত্র সেতুটি ধসে যাওয়ার তিন বছর পরও নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি
- 📌 প্রায় পাঁচ হাজার স্থানীয় বাসিন্দাকে প্রতিদিনই সেতু পার হয়ে চলাচল করতে হচ্ছে
- 📌 সেতুটির ধ্বংসাবশেষের ওপর কাদামাটি জমে যাওয়ায় হেঁটে চলাচলও হয়ে উঠেছে বিপজ্জনক
- 📌 এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, নতুন সেতু নির্মাণের জন্য পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
কুহালং ইউনিয়নের ক্যামলং এলাকার বাসিন্দা থুই নু চিং মারমা জানান, সেতুটি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার কারণে এলাকাবাসীর জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এই সেতু পার হয়ে চলাচল করা এখন একটা মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ স্থানীয় জিপ গাড়িচালক মো. আলম জানান, তিন বছর ধরে সেতুটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় গাড়ি পারাপারে প্রচণ্ড সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এবারের বন্যায় সেতুটির আরও ক্ষতি হয়েছে। এখন আর কোনোভাবেই গাড়ি পারাপার করা সম্ভব নয়।’
কুহালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মংপু মারমা জানান, সেতু ধসে যাওয়ার কারণে যানবাহন চলাচল ও মানুষের চলাফেরা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।’ স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বান্দরবানের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রতিপদ দেওয়ান জানান, ক্যামলং ছড়ার ওপর নতুন সেতু নির্মাণের জন্য পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে ইতোমধ্যে ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আশ্বাস দেন যে, দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হবে।
‘সেতুটি ধসে যাওয়ায় কারণে যান চলাচল ও মানুষের চলাচলে প্রচুর কষ্ট হচ্ছে। বিষয়টি আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।’ — মংপু মারমা, চেয়ারম্যান, কুহালং ইউনিয়ন পরিষদ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুহালং ইউনিয়ন, বান্দরবান সদর উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মংপু মারমা (চেয়ারম্যান), প্রতিপদ দেওয়ান (নির্বাহী প্রকৌশলী, এলজিইডি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিন বছর, পাঁচ হাজার বাসিন্দা, পাঁচ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!