📌 মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদের আপিল খারিজ চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করেছে। আগস্টের শেষ সপ্তাহে শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর
মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদের করা আপিল খারিজ চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করেছে। আগস্টের শেষ সপ্তাহে এই আবেদনের ওপর শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আবুল কালাম আযাদ ৬ জুলাই আপিল করেন, যেখানে ৪ হাজার ৯১৫ দিন বিলম্ব মার্জনা চাওয়া হয়েছে
- 📌 রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ আগস্টের ৩১ তারিখে শুনানি মুলতবি করেছেন
- 📌 আবুল কালাম আযাদকে ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, যা তিনি পলাতক অবস্থায় ছিলেন
- 📌 ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাঁর মৃত্যুদণ্ড এক বছরের জন্য স্থগিত করে
📰 বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, আবুল কালাম আযাদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দাখিল করা আপিলটি খারিজ চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করেছে। এই আবেদনের ওপর আগস্টের ৩১ তারিখে বিস্তারিত শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
আবুল কালাম আযাদের আইনজীবীর তথ্য অনুসারে, মানবতাবিরোধী অপরাধের এক মামলায় ট্রাইব্যুনাল তাঁকে ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করে। এর আগে থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত বছরের অক্টোবরে তাঁর মৃত্যুদণ্ড এক বছরের জন্য স্থগিত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারের আদেশবলে যে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সেটি ট্রাইব্যুনাল আইনের বিধান অনুসারে গ্রহণযোগ্য নয়। ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১(৩) ধারা অনুসারে ৩০ দিনের পরে কোনো আপিল দায়ের করা যায় না।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রপক্ষ আবুল কালাম আযাদের করা আপিলটি খারিজ করার জন্য আবেদন করেছে।
আবুল কালাম আযাদের আইনজীবী মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান জানান, সরকারের আদেশ অনুযায়ী এক বছরের মধ্যে তিনি আত্মসমর্পণ করে আপিল দায়ের করেন। তাঁর আবেদনের প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাঁর মৃত্যুদণ্ড এক বছরের জন্য স্থগিত করে। তবে রাষ্ট্রপক্ষের বিরোধিতার কারণে আদালত আগস্টের ৩১ তারিখে এই বিষয়ে চূড়ান্ত শুনানি করবেন।
‘আদালত বলেছেন, সবকিছু আগস্টের ৩১ তারিখে শুনবেন। আমাদের আবেদন শুনবেন যদি গৃহীত হয় এবং প্রসিকিউশনের আবেদন যদি খারিজ হয়, তাহলে সেদিন আপিলের শুনানি হয়ে যেতে পারে।’ — চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবুল কালাম আযাদ, মো. আমিনুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ হাজার ৯১৫ দিন বিলম্ব মার্জনা, ৩১ আগস্ট শুনানি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!