📅 ২২ আগস্ট ২০২৬, ৫:২১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশে অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ব্যবহারের কারণে বাড়ছে ওষুধ প্রতিরোধী জীবাণুর ঝুঁকি

বাংলাদেশে অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ব্যবহারের কারণে বাড়ছে ওষুধ প্রতিরোধী জীবাণুর ঝুঁকি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহারের কথা থাকলেও দেশের হাসপাতালগুলোতে ব্যবহৃত প্রতি ১০টি অ্যান্টিবায়োটিকের মধ্যে ৯টিই রয়েছে ‘ওয়াচ’ শ্রেণির। ফলে বাড়ছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন জীবাণুর বিস্তার।

বাংলাদেশে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্দেশনা পুরোপুরি উপেক্ষিত হচ্ছে। সংস্থাটির শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, সাধারণ সংক্রমণের চিকিৎসায় সর্বাধিক ব্যবহারের কথা থাকলেও দেশের হাসপাতালগুলোতে ব্যবহৃত প্রতি ১০টি অ্যান্টিবায়োটিকের মধ্যে নয়টিই রয়েছে ‘ওয়াচ’ শ্রেণির। সারা দেশে ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিকের ৭০ শতাংশের বেশি এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত বলে উঠে এসেছে জাতীয় সমীক্ষায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দেশের হাসপাতালগুলোতে ব্যবহৃত প্রতি ১০টি অ্যান্টিবায়োটিকের মধ্যে নয়টি ‘ওয়াচ’ শ্রেণির
  • 📌 সারা দেশে ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিকের ৭০ শতাংশের বেশি ‘ওয়াচ’ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত
  • 📌 বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিকের ৯১ শতাংশই ‘ওয়াচ’ শ্রেণির
  • 📌 সাধারণ সংক্রমণের চিকিৎসায় অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ‘অ্যাকসেস’ শ্রেণির ব্যবহার মাত্র ১০ শতাংশ
  • 📌 আইসিইউতে ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবস্থাপত্রের ৪৮ শতাংশ ছিল ১৫ হাজার ৮৪৪টি ব্যবস্থাপত্র বিশ্লেষণে

📰 বিস্তারিত

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, সাধারণ ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের চিকিৎসায় প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত ‘অ্যাকসেস’ শ্রেণির অ্যান্টিবায়োটিক। এই শ্রেণির ওষুধগুলো অধিকাংশ সাধারণ সংক্রমণে কার্যকর এবং প্রতিরোধ তৈরির ঝুঁকি তুলনামূলক কম। তবে দেশের হাসপাতালগুলোতে ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিকের ৭০ শতাংশের বেশি রয়েছে ‘ওয়াচ’ শ্রেণির, যা শুধুমাত্র নির্দিষ্ট প্রয়োজনে ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় সমীক্ষা ‘অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স সার্ভিল্যান্স বাংলাদেশ-২০২৫’ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিকের ৯১ শতাংশই ‘ওয়াচ’ শ্রেণির। অন্যদিকে সাধারণ সংক্রমণের চিকিৎসায় অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ‘অ্যাকসেস’ শ্রেণির ব্যবহার মাত্র ১০ শতাংশ। সমীক্ষাটিতে ১৫ হাজার ৮৪৪টি অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবস্থাপত্র বিশ্লেষণ করা হয়েছে, যার মধ্যে ৪৮ শতাংশই ছিল আইসিইউর ব্যবস্থাপত্র।

অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) নিয়ে পরিচালিত এই সমীক্ষায় দেখা গেছে, শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিকের ওপর অতিনির্ভরতা ওষুধ-প্রতিরোধী জীবাণুর বিস্তার আরও ত্বরান্বিত করছে। ফলে অনেক সংক্রমণের চিকিৎসা জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি হয়ে পড়ছে, বাড়ছে হাসপাতালে থাকার সময়, চিকিৎসা ব্যয় ও মৃত্যুঝুঁকি।

"ডব্লিউএইচওর নির্দেশনা অনুযায়ী সাধারণ সংক্রমণের চিকিৎসায় ‘অ্যাকসেস’ শ্রেণির অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের কথা থাকলেও দেশে এর ব্যবহার মাত্র ১০ শতাংশ। অন্যদিকে ‘ওয়াচ’ শ্রেণির ব্যবহার ৭০ শতাংশের বেশি। এই প্রবণতা অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন জীবাণুর বিস্তারকে ত্বরান্বিত করছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রোগী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ শতাংশ, ৯১ শতাংশ, ১০ শতাংশ, ৪৮ শতাংশ, ১৫ হাজার ৮৪৪

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖