📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বিয়ের আয়োজনে আস্ত খাসি না দেওয়ায় বর জুনায়েদ মিয়ার সঙ্গে কনেপক্ষের তর্কাতর্কিতে বিয়ে ভেঙে যায়। কনের বাবা সফিকুল ইসলাম জানান, পূর্বনির্ধারিত খাবারের তালিকায় খাসির উল্লেখ ছিল না বলে প্রতিবাদ করেন বর
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তোলাতালা গ্রামে বিয়ের আয়োজনে আস্ত খাসির দাবিতে বর জুনায়েদ মিয়ার সঙ্গে কনেপক্ষের তর্কাতর্কির জেরে বিয়ে ভেঙে যায়। গত সোমবার ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় বিয়ের আয়োজনে আস্ত খাসির দাবিতে বর জুনায়েদ মিয়া ও কনেপক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়
- 📌 খাবারের তালিকায় পূর্বনির্ধারিত খাসির উল্লেখ না থাকায় প্রতিবাদ করেন জুনায়েদ মিয়া
- 📌 কনের বাবা সফিকুল ইসলাম জানান, বরের পরিবারকে উপহারসামগ্রীসহ বিদায় করে দেওয়া হয়
- 📌 বর জুনায়েদ মিয়া জাপানপ্রবাসী এবং তাঁর সঙ্গে কনের বিয়ের তারিখ নির্ধারিত ছিল গত সোমবার
- 📌 কনের পরিবারের দাবি অনুযায়ী, খাবার খাওয়ানোর পর বরপক্ষকে বিদায় করে দেওয়া হয়
📰 বিস্তারিত
গত সোমবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তোলাতালা গ্রামে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় বর জুনায়েদ মিয়া জাপান থেকে এসে বিয়ের আয়োজনে অংশ নেন। দুপুরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা উপলক্ষে কনের বাড়িতে যান বরপক্ষ। সেখানে ফুল দিয়ে বরণ করার পর বর জুনায়েদ অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর ভাই বিষয়টি শান্ত করার চেষ্টা করলেও তিনি তাঁকে বিয়ে করতে বলেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে কনের বাবা সফিকুল ইসলাম জানান, তিনি তাঁর মেয়েকে এই ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
খাওয়াদাওয়ার পর উভয় পক্ষের প্রায় ১৫০ জন অতিথির সামনে বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়। তবে সেখানে আস্ত খাসি না থাকায় বর জুনায়েদ প্রতিবাদ করেন। তাঁর প্রতিবাদে কনেপক্ষের সঙ্গে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে সব উপহারসামগ্রী ও স্বর্ণালংকারসহ বরপক্ষকে বিদায় করে দেওয়া হয়।
কনের বাবা সফিকুল ইসলাম জানান, খাসির কথা আগে বলা হয়নি বলে তিনি বরকে জানিয়েছিলেন। তবে বিয়ের পরের অনুষ্ঠানে আস্ত খাসি খাওয়ানোর কথা ছিল। তিনি আরও বলেন, বরের ভাই বিষয়টি নিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করলেও তিনি তাঁর সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।
বর জুনায়েদ মিয়া নিজেও ঘটনাটি নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লেখেন, খাওয়াদাওয়ার পর মেয়েপক্ষ তাঁর কাছ থেকে পূর্বনির্ধারিত অ্যামাউন্টের চেয়ে ১০ গুণ বেশি কাবিন দাবি করে। তিনি ও তাঁর পরিবার তা দিতে অস্বীকার করলে কথা-কাটাকাটি শুরু হয় এবং তাঁদের বিয়ের আসর থেকে বের করে দেওয়া হয়।
‘খাওয়াদাওয়া শেষে মেয়েপক্ষ আমার কাছে পূর্বনির্ধারিত অ্যামাউন্টের চেয়ে ১০ গুণ অতিরিক্ত কাবিন দাবি করে। আমি, আমার পরিবার তা দিতে অস্বীকার করলে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। তারা আমাদের বিয়ের আসর থেকে বের করে দেয়।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তোলাতালা গ্রাম, ধরখার ইউনিয়ন, আখাউড়া উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জুনায়েদ মিয়া (বর), সফিকুল ইসলাম (কনের বাবা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫০ (অতিথি), ১০ (গুণ বেশি কাবিন দাবি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!