📌 ভ্রমণপিপাসু দম্পতিদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ‘এয়ারপোর্ট ডিভোর্স’ নামের নতুন ট্রেন্ড। বিমানবন্দরে পৌঁছেই সঙ্গী থেকে সাময়িক বিচ্ছেদের মাধ্যমে ভ্রমণের শুরুতেই অপ্রয়োজনীয় মনোমালিন্য এড়ানোর কৌশল হিসেবে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্রিটিশ ভ্রমণ সাংবাদিক হিউ অলিভারের প্রস্তাবিত এই ধারণাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে
ভ্রমণপিপাসু দম্পতিদের মধ্যে নতুন একটি প্রবণতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘এয়ারপোর্ট ডিভোর্স’। বিমানবন্দরে পৌঁছেই সঙ্গীর কাছ থেকে সাময়িক বিচ্ছেদের মাধ্যমে ভ্রমণের শুরুতেই অপ্রয়োজনীয় মনোমালিন্য এড়ানোর কৌশল হিসেবে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্রিটিশ ভ্রমণ সাংবাদিক ও কলাম লেখক হিউ অলিভার ২০২৫ সালে ‘দ্য সানডে টাইমস’-এর একটি লেখায় এই ধারণার কথা তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ‘এয়ারপোর্ট ডিভোর্স’ হলো বিমানবন্দরে পৌঁছেই সঙ্গী থেকে সাময়িক বিচ্ছেদের মাধ্যমে ভ্রমণের শুরুতেই অপ্রয়োজনীয় মনোমালিন্য এড়ানোর কৌশল
- 📌 ব্রিটিশ ভ্রমণ সাংবাদিক হিউ অলিভার ২০২৫ সালে এই ধারণার প্রস্তাব করেন
- 📌 বিমানবন্দরে দীর্ঘ নিরাপত্তা তল্লাশি, গেট পরিবর্তন, অপেক্ষা ও সময়ের চাপ মানুষের স্বাভাবিক আচরণে প্রভাব ফেলে
- 📌 ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের ২০২৩ সালের জরিপে ৫৪ শতাংশ অংশগ্রহণকারী জানিয়েছেন, বিমানবন্দরে গেলে তাঁদের ব্যক্তিত্ব বা আচরণে পরিবর্তন আসে
📰 বিস্তারিত
বিমানবন্দরে পৌঁছেই সঙ্গীর কাছ থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার এই ধারণাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নামের সঙ্গে বাস্তব বিচ্ছেদের কোনো সম্পর্ক না থাকলেও এটি ভ্রমণের আগে কিছুটা ব্যক্তিগত সময় কাটানোর একটি কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্রিটিশ ভ্রমণ সাংবাদিক হিউ অলিভার তাঁর লেখায় প্রস্তাব করেন, দম্পতিরা বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর নিজেদের মতো করে সময় কাটাবেন এবং নির্ধারিত বোর্ডিং গেটে গিয়ে আবার একসঙ্গে হবেন। কেউ কেউ চাইলে পুরো যাত্রাটিও আলাদাভাবে করার কথা ভাবতে পারেন।
ধারণাটির মূল উদ্দেশ্য হলো ভ্রমণের শুরুতেই অপ্রয়োজনীয় মনোমালিন্য এড়ানো। কারণ বিমানবন্দরে দীর্ঘ নিরাপত্তা তল্লাশি, গেট পরিবর্তন, অপেক্ষা, ক্ষুধা কিংবা সময়ের চাপ অনেক সময় মানুষের স্বাভাবিক আচরণে প্রভাব ফেলে। ফলে সাধারণত ছোটখাটো বিষয়ও বড় বিরোধে রূপ নিতে পারে।
অলিভার তাঁর লেখায় ২০২৩ সালের ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি জরিপের উল্লেখ করেন। সেখানে প্রায় ৫৪ শতাংশ অংশগ্রহণকারী জানিয়েছিলেন, বিমানবন্দরে গেলে তাঁদের ব্যক্তিত্ব বা আচরণে পরিবর্তন আসে। ভ্রমণে সবার পছন্দ এক নয়। কেউ বিমানবন্দরে বসে বই পড়তে চান, কেউ দোকান ঘুরে দেখতে বা লাউঞ্জে সময় কাটাতে পছন্দ করেন। আবার কেউ শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সঙ্গীর সঙ্গে থাকতে চান।
"এসব পার্থক্যকে সমস্যা না বানিয়ে কিছুটা ব্যক্তিগত পরিসর দেওয়াই ‘এয়ারপোর্ট ডিভোর্স’-এর ধারণা। সামান্য স্বাধীনতা অনেক সময় পুরো যাত্রাটিকেই আরও স্বস্তিদায়ক করে তুলতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিমানবন্দরে
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হিউ অলিভার (ব্রিটিশ ভ্রমণ সাংবাদিক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৪ শতাংশ, ২০২৩ সাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!