📌 ঢাকার মিরপুরে ৬-৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত পঞ্চম আদিবাসী খাদ্য ও শস্যমেলায় ৩৫টি স্টলে চাকমা, মারমা, মণিপুরি ও অন্যান্য আদিবাসী সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী খাবার ও জুমশস্যের প্রদর্শনী হয়। নাগরিক উদ্যোগ ও আদিবাসী সুহৃদদের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবনধারা ও সংস্কৃতি প্রদর্শিত হয়
পঞ্চমবারের মতো ঢাকার মিরপুরে ৬ ও ৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘আদিবাসী খাদ্য ও শস্যমেলা ২০২৬’। এই মেলায় চাকমা, মারমা, মণিপুরি, গারো, সাঁওতাল, রাখাইনসহ পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সদস্যরা তাদের ঐতিহ্যবাহী খাদ্য ও জুমশস্যের প্রদর্শনী উপস্থাপন করেছেন। উন্নয়ন সংগঠন নাগরিক উদ্যোগ ও আদিবাসী সুহৃদদের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলা ঢাকার বুকেই ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় জীবনধারা ও সংস্কৃতিকে জনসাধারণের সামনে তুলে ধরেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬ ও ৭ নভেম্বর মিরপুরের পার্বত্য বৌদ্ধ সংঘ কমপ্লেক্সের ১৩ নম্বর প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে পঞ্চম আদিবাসী খাদ্য ও শস্যমেলা
- 📌 মেলায় অংশ নেন চাকমা, মারমা, মণিপুরি, গারো, সাঁওতাল ও রাখাইনসহ ৬টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সদস্য
- 📌 মেলায় ৩৫টি স্টল ছিল যেখানে আদিবাসী সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী খাবার ও জুমশস্যের প্রদর্শনী উপস্থাপিত হয়েছিল
- 📌 মেলার আয়োজন করেছে উন্নয়ন সংগঠন নাগরিক উদ্যোগ ও আদিবাসী সুহৃদদের যৌথ উদ্যোগে
📰 বিস্তারিত
ঢাকার মিরপুরে অনুষ্ঠিত এই মেলা ছিল ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীদের জীবনধারা ও ঐতিহ্যের একটি অনন্য প্রদর্শনী। মেলায় অংশগ্রহণকারী চাকমা, মারমা, মণিপুরি, গারো, সাঁওতাল ও রাখাইনসহ বিভিন্ন আদিবাসী সম্প্রদায় তাদের ঐতিহ্যবাহী খাবার ও জুমশস্যের মাধ্যমে সংস্কৃতিকে জনসাধারণের সামনে তুলে ধরেছেন। মেলায় উপস্থাপিত খাবার ও শস্যের মধ্যে ছিল তাদের ঐতিহ্যবাহী রান্না ও জুম চাষের ফলাফল।
মেলায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিল নাগরিক উদ্যোগ ও আদিবাসী সুহৃদদের সদস্যরা। তারা তাদের ঐতিহ্যবাহী খাদ্য ও শস্যের মাধ্যমে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীদের জীবনধারা ও সংস্কৃতিকে জনসাধারণের কাছে পরিচিত করিয়ে দিয়েছেন। এই মেলা ছিল তাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার একটি প্রচেষ্টা।
মিরপুরের পার্বত্য বৌদ্ধ সংঘ কমপ্লেক্সের ১৩ নম্বর প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এই মেলায় ৩৫টি স্টল ছিল যেখানে বিভিন্ন আদিবাসী সম্প্রদায় তাদের ঐতিহ্যবাহী খাবার ও শস্যের প্রদর্শনী উপস্থাপন করেছিলেন। এই স্টলগুলোতে অংশগ্রহণকারীরা তাদের ঐতিহ্যবাহী খাবার ও শস্যের মাধ্যমে তাদের সংস্কৃতিকে জনসাধারণের কাছে তুলে ধরেছেন।
"এই মেলা ছিল ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীদের জীবনধারা ও সংস্কৃতিকে জনসাধারণের সামনে তুলে ধরার একটি অনন্য প্রচেষ্টা। আমরা আশা করি, এই মেলা থেকে জনসাধারণ তাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতি আরও বেশি সচেতন হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুরের পার্বত্য বৌদ্ধ সংঘ কমপ্লেক্স, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চাকমা, মারমা, মণিপুরি, গারো, সাঁওতাল, রাখাইনসহ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সদস্যরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫টি স্টল, ৬ ও ৭ নভেম্বর, ১৩ নম্বর প্রাঙ্গণ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!