📌 ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ সালের সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার পথ নির্ধারণ করেছিল বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাণীতে বলা হয়েছে। তিনি বলেছেন, এই বিপ্লবের মাধ্যমে একদলীয় স্বৈরাচার ও সেনাবাহিনীর মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা ব্যর্থ হয়
৭ নভেম্বর ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পথের মূলধারা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্মরণীয় বাণীতে বলা হয়েছে। তিনি শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ‘ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে উল্লেখ করেছেন, এই বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা এবং সেনাবাহিনীর গৌরব ক্ষুণ্ন করার ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের পথ নির্ধারণ করেছিল।
- 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল।
- 📌 ১৯৭৫ সালের বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখেছিল।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের মতো ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানও ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই।
- 📌 তিনি দাবি করেছেন, ভবিষ্যতে কেউ বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, সেটি ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার হওয়া উচিত।
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় গড়া হয়েছিল। তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল, তাদের পরাজয় ঘটেছিল এই বিপ্লবের মাধ্যমে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ‘ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে তিনি উল্লেখ করেছেন, এই দিনটি ছিল শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।
প্রধানমন্ত্রী ইতিহাসের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, ‘অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, অতীতকে ভুলে গেলে দু’চোখই অন্ধ’ এই প্রবাদবাক্য প্রাসঙ্গিক। তিনি বলেন, ইতিহাস থেকে শিক্ষা না নেওয়া ঐতিহাসিক ভুলের সমান। তিনি উল্লেখ করেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর পরাজিত সেই অপশক্তি পরবর্তীকালে মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল।
তিনি বলেছেন, বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর গৌরব ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল। জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। তারেক রহমান বলেছেন, হাজারো শহীদের আত্মত্যাগ এবং বীর ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দেড় দশক পর দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে।
"১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, আর ২০২৪ সাল ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। ২০২৪ সালে যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় রাজপথে নেমে এসেছিল, একইভাবে ১৯৭৫ সালেও সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ নভেম্বর ১৯৭৫
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!