📌 সারাদেশের জেলাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণসহ সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে সারাদেশের জেলাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, মাদক দমন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপদের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট ২০২৬) প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জেলা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে ৩০ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও হুইপকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে
- 📌 মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়
- 📌 বিগত সরকারের আমলে জেলা পর্যায়ে ব্যাপক দুর্নীতি ও লুটপাটের অভিযোগ রয়েছে
- 📌 সংবিধানের ৫৫(২) অনুচ্ছেদ ও কার্যপ্রণালি বিধিমালার অধীনে এই দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে
- 📌 প্রতিটি বিভাগ ও জেলার জন্য আলাদা আলাদা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম ঘোষণা করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রকাশিত গেজেট অনুসারে, জেলা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, দুর্নীতি দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয় যে, বিগত সরকারের আমলে জেলা পর্যায়ে উন্নয়নের নামে ব্যাপক দুর্নীতি ও লুটপাট হয়েছে, যার অর্থ দেশের অভ্যন্তরে মাদক ব্যবসা ও সামাজিক অবক্ষয়ের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দায়িত্বপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, যিনি মানিকগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন। এছাড়া রাজনীতিবিদ শামা ওবায়েদ ইসলামকে মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণির স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৫৫(২) অনুচ্ছেদ এবং কার্যপ্রণালি বিধিমালার অধীনে এই দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।
দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক নিয়ন্ত্রণ, গুরুতর অপরাধ দমন এবং সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে পরামর্শ প্রদান করবেন। এছাড়া তারা প্রয়োজনে জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সভায় অংশগ্রহণ করে মতামত প্রদান করতে পারবেন।
"বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে দেশের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়নের বরাদ্দ কাগজে-কলমে লেখা থাকলেও ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে লুটপাট সংগঠিত হয়েছে। লুটপাটের অর্থের অংশ দেশের অভ্যন্তরে মাদকসহ সামাজিক অবক্ষয়, জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ কাজে ব্যবহৃত হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সারাদেশের জেলাগুলো
- 👥 প্রধান ব্যক্তি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ
- 🔢 সংবিধানের ধারা: ৫৫(২)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!