📅 ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সুগন্ধা সৈকতে পরিবেশ বিধ্বংসী প্রকল্প বন্ধে আদালত অবমাননার নোটিশ চার কর্মকর্তাকে

সুগন্ধা সৈকতে পরিবেশ বিধ্বংসী প্রকল্প বন্ধে আদালত অবমাননার নোটিশ চার কর্মকর্তাকে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কক্সবাজারের সুগন্ধা সৈকতে পরিবেশ বিধ্বংসী সড়ক নির্মাণ প্রকল্প বন্ধে আদালত অবমাননার নোটিশ পেয়েছেন জেলা প্রশাসকসহ চার কর্মকর্তা। জাইকার অর্থায়নে নির্মিতব্য প্রকল্পটি উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

কক্সবাজার শহরের সুগন্ধা সৈকতের বালিয়াড়ি ভরাট করে নির্মিতব্য ৬৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার সড়ক প্রকল্পটি পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করে আদালত অবমাননার নোটিশ পেয়েছেন জেলা প্রশাসক এম এ মান্নান, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আদনান চৌধুরী, প্রকল্প পরিচালক এ এস এম রাশেদুর রহমান ও জাইকার বাংলাদেশ প্রতিনিধি তাকাহাসকি জানকো।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সুগন্ধা সৈকতে নির্মিতব্য সড়ক প্রকল্পটি উচ্চ আদালতের পরিবেশ সংরক্ষণ নির্দেশনা লঙ্ঘন করেছে
  • 📌 আদালত অবমাননার অভিযোগে চার কর্মকর্তাকে নোটিশ প্রদান করেছেন হাইকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ
  • 📌 প্রকল্পটির অর্থায়ন করেছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)
  • 📌 আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কাজ বন্ধ না হলে আদালত অবমাননার মামলা করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ
  • 📌 সুগন্ধা সৈকত থেকে কলাতলী পর্যন্ত নির্মিতব্য সড়কের দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ২ কিলোমিটার ও প্রস্থ ২৮ মিটার

📰 বিস্তারিত

কক্সবাজার পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সুগন্ধা সৈকতের বালিয়াড়ি ভরাট করে ৬৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার একটি সড়ক নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পটির অর্থায়ন করেছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)। উচ্চ আদালতের পরিবেশ সংরক্ষণ সংক্রান্ত নির্দেশনা উপেক্ষা করে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

হাইকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও ‘হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ’-(এইচআর পিবি) চেয়ারম্যান মনজিল মোরসেদ চার কর্মকর্তাকে আদালত অবমাননার নোটিশ পাঠিয়েছেন। যাঁদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে তাঁরা হলেন জেলা প্রশাসক এম এ মান্নান, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আদনান চৌধুরী, প্রকল্প পরিচালক এ এস এম রাশেদুর রহমান ও জাইকার বাংলাদেশ প্রতিনিধি তাকাহাসকি জানকো।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্মাণকাজ বন্ধ করা না হলে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করা হবে। মনজিল মোরসেদ প্রথম আলোকে বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত একটি প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে এই এলাকায় সড়ক নির্মাণ পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচিত হবে।

উল্লেখ্য, সুগন্ধা সৈকত থেকে কলাতলী পর্যন্ত নির্মিতব্য সড়কের দৈর্ঘ্য হবে ১ দশমিক ২ কিলোমিটার এবং প্রস্থ হবে ২৮ মিটার। প্রকল্পটির প্রথম ধাপের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রকল্পটির বিপরীতে জাইকা ৬৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।

"বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত দেশের অমূল্য সম্পদ। প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এই সৈকতের বালিয়াড়ি দখল বা ভরাট করে যেকোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এখন সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সুগন্ধা সৈকত থেকে কলাতলীর দিকে চার লেনের স্থায়ী সড়ক নির্মিত হচ্ছে। তাতে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের শঙ্কা রয়েছে।"

এ প্রসঙ্গে পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী রোমেল বড়ুয়া বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নিয়েই প্রকল্পটির কাজ চলছে। প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদিত হয়েছে এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় গবেষণা সম্পন্ন হয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুগন্ধা সৈকত, কক্সবাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনজিল মোরসেদ, এম এ মান্নান, মো. আদনান চৌধুরী, এ এস এম রাশেদুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖