📌 শৈশবে অবৈধভাবে বিদেশ যাওয়া মোহাম্মদ ফরিদ ২৫ বছর পর দেশে ফিরেছেন। পাকিস্তানে ট্রেন দুর্ঘটনায় দুই পা হারানো ফরিদকে তুরস্কে মানব পাচারকারীরা নিয়ে গিয়েছিল। তুরস্ক থেকে বাংলাদেশে প্রত্যাবাসনের পর ব্র্যাকের সহায়তায় পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলন ঘটে তাঁর
উখিয়ার মরিচ্যা পালং নাছির পাড়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ ফরিদের পরিবার দীর্ঘ ২৫ বছর তাঁকে মৃত ভেবে শোক পালন করেছিল। শৈশবে মাত্র ১০ বছর বয়সে অবৈধভাবে ভারত হয়ে পাকিস্তানে যাওয়া ফরিদ সেখানে ট্রেন দুর্ঘটনায় দুই পা হারানোর পর মানব পাচারকারীদের খপ্পরে পড়েন। সম্প্রতি তুরস্ক থেকে প্রত্যাবাসনের পর বৃহস্পতিবার তিনি দেশে ফেরেন এবং পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলিত হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শৈশবে অবৈধভাবে বিদেশ যাওয়া মোহাম্মদ ফরিদ ২৫ বছর পর দেশে ফিরেছেন
- 📌 পাকিস্তানে ট্রেন দুর্ঘটনায় দুই পা হারানোর পর মানব পাচারকারীদের খপ্পরে পড়েন ফরিদ
- 📌 তুরস্ক থেকে প্রত্যাবাসনের পর ব্র্যাকের সহায়তায় পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলন ঘটে তাঁর
- 📌 ফরিদের ছয় আঙুল দেখে পরিবারের সদস্যরা তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করেন
- 📌 বিমানবন্দরে পরিচয় প্রকাশে অক্ষম ফরিদকে ব্র্যাকের সহায়তায় পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়
📰 বিস্তারিত
মোহাম্মদ ফরিদের পরিবার দীর্ঘ দুই দশক তাঁকে মৃত ভেবে শোক পালন করেছিল। শৈশবে মাত্র ১০ বছর বয়সে অবৈধভাবে ভারত হয়ে পাকিস্তানে যাওয়া ফরিদ সেখানে ট্রেন দুর্ঘটনায় দুই পা হারানোর পর মানব পাচারকারীদের খপ্পরে পড়েন। পাকিস্তান থেকে তুরস্কে নিয়ে যাওয়া ফরিদ সেখানে সমুদ্রতীরে পানি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। সম্প্রতি তুরস্কের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হয়ে তিনি বাংলাদেশে প্রত্যাবাসিত হন।
১৮ আগস্ট ভোর সোয়া পাঁচটার দিকে তুরস্ক থেকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান ফরিদ। শৈশব থেকে বিদেশে থাকার কারণে নিজের পরিচয়ও তিনি স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে পারছিলেন না। কেবল নিজের ও মা-বাবার নাম এবং ঢাকার ঠিকানা উল্লেখ করতে সক্ষম হন তিনি। বিমানবন্দরের এভিয়েশন সিকিউরিটি বাহিনীর সদস্যরা তাঁকে প্রবাসীকল্যাণ ডেস্কের মাধ্যমে ব্র্যাকের আশকোনা মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারে হস্তান্তর করেন।
ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের কর্মীরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহায়তায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে ফরিদের পরিবারের সন্ধান পান। পরিবারের সদস্যরা ফরিদের ছয় আঙুল দেখে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হন। পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলের মাধ্যমে কথা বলার সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সবাই।
"আমরা ধরে নিয়েছিলাম, ফরিদ ভাই আর বেঁচে নেই। কিন্তু এত বছর পর তাঁকে ফিরে পাওয়ার আনন্দ আমরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উখিয়া, কক্সবাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ ফরিদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর, ১০ বছর, ৪১ হাজার, ১৬৪ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!