📌 মেক্সিকো সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সীমান্তে গুলিবর্ষণের প্রমাণ চেয়েছে, যেখানে মার্কিন কোস্ট গার্ড সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি করা হয়েছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। মেক্সিকোের রাষ্ট্রপতি ক্লাউডিয়া শাইনবাউম বলেছেন, 'আমাদের কাছে কোনো প্রমাণ নেই'। মার্কিন রাষ্ট্রদূত রোনাল্ড জনসন সীমান্তে ৫০০ জন সৈনিক প্রেরণ করেছেন
মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি ক্লাউডিয়া শাইনবাউম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সীমান্তে গুলিবর্ষণের প্রমাণ চেয়েছেন, যেখানে মার্কিন কোস্ট গার্ড সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি করা হয়েছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। তিনি বলেছেন, 'আমাদের কাছে কোনো প্রমাণ নেই'। শাইনবাউমের এই বিবৃতি দিয়েছেন সোমবার তার দৈনিক সংবাদ সম্মেলনে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত রোনাল্ড জনসন সীমান্তে গুলিবর্ষণের ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছিলেন, যেখানে তিনি বলেছিলেন, 'এই হুমকি দ্রুত সমাধান করা হবে'।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন কোস্ট গার্ড সদস্যদের লক্ষ্য করে সীমান্তে গুলিবর্ষণ ঘটেছে বলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দাবি করছে, যার প্রমাণ চেয়েছে মেক্সিকো।
- 📌 মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি ক্লাউডিয়া শাইনবাউম বলেছেন, 'আমাদের কাছে কোনো প্রমাণ নেই' এবং মেক্সিকোতে কোনো গুলিবর্ষণ ঘটেনি।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তে ৫০০ জন সৈনিক, হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং এন্টি-ড্রোন সরঞ্জাম প্রেরণ করেছে।
- 📌 মেক্সিকোও সীমান্তে নিজস্ব সৈনিক প্রেরণ করেছে, যাতে 'কোনো সমস্যা এড়ানো যায়'।
- 📌 মার্কিন রাষ্ট্রদূত রোনাল্ড জনসন এবং মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি শাইনবাউমের মধ্যে সীমান্ত নিরাপত্তা ও জাতীয় সার্বভৌমত্ব নিয়ে মতভেদ রয়েছে।
- 📌 মার্কিন রাষ্ট্রদূত জনসন সীমান্তে একটি আন্তর্জাতিক পুলিশ একাডেমি উদ্বোধন করেছেন, যা মেক্সিকোর কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন ছাড়াই।
📰 বিস্তারিত
মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি ক্লাউডিয়া শাইনবাউম সোমবার তার দৈনিক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তে গুলিবর্ষণের ঘটনাটি সম্পর্কে মেক্সিকোতে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিনি বলেছেন, 'আমরা সব প্রমাণ চেয়েছি, কিন্তু আমাদের কাছে কোনো প্রমাণ নেই'। শাইনবাউমের মতে, মেক্সিকোর জাতীয় গার্ড, সেনাবাহিনী এবং নৌবাহিনী সীমান্তে কোনো গুলিবর্ষণ শনাক্ত করতে পারেনি।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত রোনাল্ড জনসন সীমান্তে গুলিবর্ষণের ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, 'মার্কিন কোস্ট গার্ড সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি করা হয়েছে এবং এই হুমকি দ্রুত সমাধান করা হবে'। জনসন আরও বলেছেন, মার্কিন দূতাবাস মেক্সিকোর সৈনিকদের সাথে সীমান্তে যৌথ প্যাট্রোল করার জন্য সহযোগিতা করছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তে ৫০০ জন সৈনিক প্রেরণ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং এন্টি-ড্রোন সরঞ্জাম। এই সৈনিকদের প্রেরণ করা হয়েছে সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে টেক্সাসের সীমান্তে, যেখানে মেক্সিকোর তামাউলিপাস রাজ্যের বিপরীতে ঘটনাটি ঘটেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। মেক্সিকোও সীমান্তে নিজস্ব সৈনিক প্রেরণ করেছে, যাতে 'কোনো সমস্যা এড়ানো যায়'। এই যৌথ অভিযানকে 'অপারেশন মিরর' নামে পরিচিত করা হয়েছে।
"আমরা সব প্রমাণ চেয়েছি, কিন্তু আমাদের কাছে কোনো প্রমাণ নেই"
মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি শাইনবাউম এবং মার্কিন রাষ্ট্রদূত জনসনের মধ্যে সীমান্ত নিরাপত্তা ও জাতীয় সার্বভৌমত্ব নিয়ে মতভেদ রয়েছে। জনসন, যিনি মার্কিন সেনাবাহিনীর গ্রিন বারেট এবং সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির (সিআইএ) সাবেক কর্মকর্তা, মেক্সিকোর সরকারকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নারকোটিক্স এবং অপরাধ সংগঠনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহযোগিতা করার জন্য চাপ দিচ্ছেন। ট্রাম্পের প্রশাসন লাতিন আমেরিকায় মার্কিন প্রভাব বৃদ্ধির জন্য 'ডোনরো ডাক্তাবা' নামে একটি নীতি অনুসরণ করছে, যা ১৯শ শতাব্দীর মনরো ডাক্তাবার একটি পরিবর্তিত রূপ।
শাইনবাউম বলেছেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত জনসন সীমান্তে একটি আন্তর্জাতিক পুলিশ একাডেমি উদ্বোধন করেছেন, যা মেক্সিকোর কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন ছাড়াই। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, 'কীভাবে একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হতে পারে, যেখানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং একটি মেক্সিকান গভর্নর অংশ নিচ্ছেন, কিন্তু কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় অংশ নিচ্ছেন না?'
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মেক্সিকো-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সীমান্ত (টেক্সাস ও তামাউলিপাস রাজ্য)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্লাউডিয়া শাইনবাউম (মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি), রোনাল্ড জনসন (মার্কিন রাষ্ট্রদূত)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ জন মার্কিন সৈনিক, ৩টি রেকমেন্ডেড স্টোরিজ, ১৯শ শতাব্দী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!