📅 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২৩ বছর ধরে ফুটপাতে পত্রিকা পড়ার অভ্যাসে মুগ্ধ স্থানীয়রা: জুতা পালিশকারী অনন্তের গল্প

২৩ বছর ধরে ফুটপাতে পত্রিকা পড়ার অভ্যাসে মুগ্ধ স্থানীয়রা: জুতা পালিশকারী অনন্তের গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ভবানীগঞ্জ বাজারে জুতা পালিশকারী অনন্ত চন্দ্র দাস (৪১) ২৩ বছর ধরে ফুটপাতে পত্রিকা পড়ার অভ্যাসে স্থানীয়দের মন জয় করেছে। তিনি প্রতিদিন পত্রিকা পড়ার নেশায় ভুগেন এবং অন্যদেরও পড়তে উৎসাহিত করেন

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ভবানীগঞ্জ বাজারের ফুটপাতে ২৩ বছর ধরে পত্রিকা পড়ার অভ্যাসে স্থানীয়দের মন জয় করেছে জুতা পালিশকারী অনন্ত চন্দ্র দাস (৪১)। প্রতিদিন কাজের ফাঁকে পত্রিকা পড়ার এই স্বাভাবিক অভ্যাস তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। বুধবার সকাল ১১টার দিকে ভবানীগঞ্জ উপজেলা সড়কের পাশে দেখা গেল অনন্তকে পত্রিকা পড়তে। তিনি জানান, কাজের ফাঁকে পত্রিকা পড়ার অভ্যাস শুরু হয় তার ছোটবেলা থেকেই।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **২৩ বছর ধরে** ভবানীগঞ্জ বাজারের ফুটপাতে পত্রিকা পড়ার অভ্যাসে স্থানীয়রা মুগ্ধ
  • 📌 **জুতা পালিশকারী অনন্ত চন্দ্র দাস (৪১)** প্রতিদিন পত্রিকা পড়ার নেশায় ভুগেন
  • 📌 **কাজের ফাঁকে পত্রিকা পড়ার** অভ্যাস শুরু হয় ২০০৩ সাল থেকে, তখন এলাকায় চরমপন্থীদের ঘটনা প্রকাশিত হতো
  • 📌 **প্রতিদিন ১০০ টাকা** বরাদ্দ করে পত্রিকা কেনেন, মাসে ৩০০-৪০০ টাকা আয় করেন জুতা পালিশ করে
  • 📌 **করোনা মহামারিতে** পত্রিকা বন্ধ থাকায় বিপদে পড়েন, পত্রিকা পড়া তার নেশা হয়ে গেছে
  • 📌 **পত্রিকা বিক্রেতা সঞ্জয় কুমার কুণ্ডু** বলেন, অনন্ত পত্রিকা পৌঁছাতে দেরি হলে নিজে দোকানে আসেন
  • 📌 **ভবানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক রেজাউনাল করিম** বলেন, অনন্তের অভ্যাস তাকে মুগ্ধ করেছে
  • 📌 **গণিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবদুস সোবহান মণ্ডল** বলেন, উপজেলা প্রশাসন সহযোগিতা করতে পারে

📰 বিস্তারিত

জুতা পালিশের কাজ শেষে পাশে রাখা পত্রিকা হাতে নিলেন অনন্ত চন্দ্র দাস। নীরবে পড়তে থাকলেন পত্রিকার বিভিন্ন লেখা। এই দৃশ্য ২৩ বছর ধরে ভবানীগঞ্জ বাজারের ফুটপাতে স্থানীয়দের চোখে পড়ছে। অনন্তের পেশা হল চর্মকার, কিন্তু পত্রিকা পড়ার অভ্যাস তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। তিনি জানান, কাজের ফাঁকে পত্রিকা পড়েন। কোনো খবর আকর্ষণীয় মনে হলে সেটি পরে পড়ার জন্য রেখে দেন।

অনন্তের ছোটবেলা থেকেই পত্রিকা পড়ার আগ্রহ ছিল। ২০০৩ সালে তিনি নিয়মিত পত্রিকা কেনা শুরু করেন। তখন এলাকায় চরমপন্থীদের তৎপরতা ও খুনের ঘটনা ঘটত। স্থানীয় পত্রিকায় এসব ঘটনার বিস্তারিত প্রকাশিত হতো। সেসব জানার আগ্রহ থেকেই পত্রিকা কেনা শুরু করেন তিনি। তখন দুই টাকা দামের স্থানীয় পত্রিকা কিনতেন। এখনো সেই অভ্যাস ধরে রেখেছেন।

অনন্ত বলেন, প্রতিদিন সকালে দোকানে যাওয়ার পর হকারের কাছ থেকে পত্রিকা নেন। কাজের চাপ কম থাকলে গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো পড়ে নেন। সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার সময় পত্রিকাটি ব্যাগে করে নিয়ে যান। হাতে পত্রিকা দেখলে কেউ ঠাট্টা করতে পারে, এই আশঙ্কায় তিনি এমনটি করেন। তিনি বলেন, ‘পেপার পড়া আমার নেশা ও অভ্যাস হয়ে গেছে। না পড়লে ভালো লাগে না। পত্রিকা পড়াতে কোনো পেশার প্রয়োজন হয় না। আগ্রহই যথেষ্ট।’

করোনা মহামারিতে অনন্তের খুব কষ্ট হয়েছিল। পত্রিকা বন্ধ থাকায় এবং ব্যবসা না হওয়ায় তিনি বিপদে পড়েন। তিনি বলেন, ‘পত্রিকা পড়াতে কোনো পেশার প্রয়োজন হয় না। আগ্রহই যথেষ্ট।’ এই পেশাকে খাটো করে দেখেন না তিনি। দোকানে পত্রিকা থাকলে অনেক খদ্দেরকে ধরে রাখা যায় বলে জানান অনন্ত। তিনি বলেন, জুতা পালিশে যতটুকু সময় লাগে, তখন খদ্দেরের হাতে পেপার ধরিয়ে দিলে তারা পড়ে সময় পার করেন। এতে করে নিজের পড়ার পাশাপাশি অন্যকেও পড়ানো যায়।

অনন্ত লেখাপড়া চতুর্থ শ্রেণির পর এগিয়ে নিতে পারেননি। বাপ-দাদার পেশাই ধরে রেখেছেন। প্রতিদিন জুতা পালিশ করে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা আয় করেন। সংসারের খরচ মিটিয়ে মাসে ১০০ টাকা পত্রিকা কেনার জন্য রাখেন। দীর্ঘদিন ধরে পথের ধারে অনন্তকে পত্রিকা পড়তে দেখে আসছেন স্থানীয়রা। তাঁর এই অভ্যাস তাদের মুগ্ধ করেছে।

"পেপার পড়া আমার নেশা ও অভ্যাস হয়ে গেছে। না পড়লে ভালো লাগে না। পত্রিকা পড়াতে কোনো পেশার প্রয়োজন হয় না। আগ্রহই যথেষ্ট।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভবানীগঞ্জ বাজার, রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা সদর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অনন্ত চন্দ্র দাস (৪১), রেজাউনাল করিম, সঞ্জয় কুমার কুণ্ডু, আবদুস সোবহান মণ্ডল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ বছর, ৪১ বছর, ১১ টা, ৩০০-৪০০ টাকা, ১০০ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖