📌 বাগেরহাটে পুলিশের আয়োজিত সমাবেশে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় ১৭ বছর ধরে পাড়ায় পাড়ায় মাদকের আখড়া গড়ে তোলা হয়েছে। তিনি মাদকবিরোধী জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা ও সমাজে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান
বাগেরহাট জেলায় ১৭ বছর ধরে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় দলীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে পাড়ায় পাড়ায় মাদকের আখড়া গড়ে তোলা হয়েছে বলে সতর্কতা জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেছেন, পুলিশকে শক্তিশালী না করলে সমাজে দিন-রাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৭ বছর ধরে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় মাদক আখড়া গড়ে তোলা হয়েছে বলে আইজিপি মন্তব্য
- 📌 বাগেরহাট পুলিশ লাইনে মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংবিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইজিপি
- 📌 ২ লাখ ৮ থেকে ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য রয়েছে বাংলাদেশে; ২০ হাজার নতুন সদস্যের প্রশিক্ষণ অবকাঠামো অপর্যাপ্ত
- 📌 ২৫ থেকে ৩০ লাখ মানুষ প্রতিবছর বেকারত্বের শিকার হচ্ছেন; অর্থনৈতিক উন্নয়ন ছাড়া অপরাধবিরোধী প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে
- 📌 পাড়া-মহল্লায় সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান আইজিপি; মাদকবিরোধী জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা
📰 বিস্তারিত
রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাট পুলিশ লাইনে জেলা পুলিশের আয়োজিত মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রবাদবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেন, পুলিশকে শক্তিশালী না করলে সমাজে দিনে-রাতে কেউই স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারবেন না।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের জনবল বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরেন আইজিপি। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে পুলিশের জনবল প্রায় ২ লাখ ৮ থেকে ১৫ হাজার। চলতি বছর আরও ২০ হাজার পুলিশ সদস্যের নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে একসঙ্গে ২০ হাজার সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার মতো অবকাঠামো নেই।’
মাদক ও অপরাধের বিস্তার রোধে শুধু পুলিশের ওপর নির্ভর না করার আহ্বান জানিয়ে আইজিপি বলেন, ‘পাড়া-মহল্লায় অপরাধবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। মাদকের ব্যাপারে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। কিশোর গ্যাং নির্মূলের ব্যাপারেও জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।’
দেশের বেকারত্ব পরিস্থিতি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘সবার জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রয়োজন। প্রতিবছর প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লাখ মানুষ বেকারের তালিকায় যুক্ত হচ্ছেন। অর্থনৈতিক উন্নয়ন ছাড়া অপরাধবিরোধী প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে।’
সমাবেশে বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম এবং বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন। এছাড়া জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সমাবেশে অংশ নেন।
"পুলিশকে শক্তিশালী না করলে সমাজে দিনে-রাতে কেউই স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারব না। পাড়া-মহল্লায় অপরাধবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। মাদকের ব্যাপারে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাগেরহাট জেলা পুলিশ লাইন
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ বছর, ২ লাখ ৮ থেকে ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য, ২০ হাজার নতুন সদস্য, ২৫ থেকে ৩০ লাখ বেকার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!