📅 ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১৪ কোটি টাকার ট্রমা সেন্টার বিলুপ্ত: শেরপুরে আহতদের চিকিৎসা বঞ্চিত

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: জিয়াউর রহমান জিয়াউর রহমান
১৪ কোটি টাকার ট্রমা সেন্টার বিলুপ্ত: শেরপুরে আহতদের চিকিৎসা বঞ্চিত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শেরপুরে নির্মিত ১৪ কোটি টাকার ট্রমা সেন্টার সাত বছর পরও চালু হয়নি। দুর্ঘটনায় আহতদের জন্য এই সেন্টারটি বিলুপ্ত থাকায় বগুড়া হাসপাতালের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। ২০১৯ সালে নির্মিত ভবনটি এখন বহির্বিভাগের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে

শেরপুর উপজেলায় নির্মিত ১৪ কোটি টাকার ট্রমা সেন্টার সাত বছর পরও চালু হয়নি। এই সেন্টারটি দুর্ঘটনায় আহতদের জন্য নির্মিত হলেও বর্তমানে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগের চিকিৎসাসেবা প্রদানের জন্য। বগুড়া-ঢাকা মহাসড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় এই সেন্টারের অভাবে আহতদের জীবন ঝুঁকিতে পড়ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৪ কোটি টাকায় নির্মিত শেরপুরের ট্রমা সেন্টার সাত বছর পরও চালু হয়নি
  • 📌 ২০১৯ সালে নির্মিত চারতলা ভবন এখন বহির্বিভাগের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে
  • 📌 শাজাহানপুর-চান্দাইকোনা মহাসড়ক অংশে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ৬৬টি দুর্ঘটনা, ৫৫ জন নিহত
  • 📌 শেরপুর থেকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল হাসপাতালের দূরত্ব ২৭ কিলোমিটার
  • 📌 ট্রমা সেন্টারে ২০ শয্যা, ১৪ জন চিকিৎসক ও ৬০ জন কর্মী থাকার কথা ছিল
  • 📌 বগুড়া জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন আহ্বায়ক জানে আলম খোকা: ট্রমা সেন্টার না থাকায় আহতরা পঙ্গুত্ব বরণ করছে
  • 📌 জেলা সিভিল সার্জন ডা. ফারজানুল ইসলাম: ট্রমা সেন্টার চালুর জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে

📰 বিস্তারিত

শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরে নির্মিত ট্রমা সেন্টারটি ২০১৯ সালে নির্মাণকাজ শেষ হলেও এখনও চালু হয়নি। প্রকল্প অনুযায়ী, এই সেন্টারে ২০ শয্যা থাকার কথা ছিল। এছাড়া সাতজন কনসালট্যান্ট, তিনজন অর্থোপেডিক সার্জন, দুজন অ্যানেসথেসিওলজিস্ট ও দুজন রেসিডেন্ট মেডিকেল অফিসারসহ মোট ১৪ জন চিকিৎসক এবং ১০ জন নার্সসহ ফার্মাসিস্ট, রেডিওলজি ও ল্যাব টেকনিশিয়ান, চালক, অফিস সহকারী, ওয়ার্ডবয় ও আয়ারসহ মোট ৬০ জন কর্মী থাকার কথা ছিল। তবে প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জামের অভাবে সেন্টারটি চালু হয়নি।

শাজাহানপুরের বনানী বাইপাস থেকে চান্দাইকোনা পর্যন্ত ৩২ কিলোমিটার মহাসড়ক অংশে চলতি বছর পর্যন্ত ৬৬টি গুরুতর দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ৫৫ জন নিহত হয়েছে। স্থানীয়ভাবে ট্রমা চিকিৎসার ব্যবস্থা না থাকায় আহতদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে হয়। শেরপুর থেকে এই হাসপাতালের দূরত্ব প্রায় ২৭ কিলোমিটার। এই দূরত্বের কারণে আহতদের মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম বলেন, ট্রমা ইউনিট চালু না হওয়ায় ভবনটি বিকল্পভাবে বহির্বিভাগের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রতিদিন এখানে প্রায় ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসে। বগুড়া জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের আহ্বায়ক জানে আলম খোকা বলেন, ট্রমা সেন্টারটি চালু না হওয়ায় শ্রমিকদের পাশাপাশি দুর্ঘটনায় আহত মানুষও দ্রুত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এতে অনেকে চিকিৎসার অভাবে মারা যাচ্ছেন, আবার অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করছেন।

বগুড়া জেলার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. ফারজানুল ইসলাম বলেন, শেরপুরের ওই এলাকা দুর্ঘটনাপ্রবণ। মহাসড়কে দুর্ঘটনায় আহত রোগীকে বগুড়ায় পাঠাতে সময় লাগায় তাঁদের মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে। ট্রমা সেন্টারটি চালুর জন্য জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বছর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সেটি পরিদর্শনও করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত পরবর্তী কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি।

"ট্রমা ইউনিট চালু না হওয়ায় ভবনটি বিকল্পভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সেখানে প্রতিদিন বহির্বিভাগে প্রায় ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসে।"
"শেরপুরের ওই এলাকা দুর্ঘটনাপ্রবণ। মহাসড়কে দুর্ঘটনায় আহত রোগীকে বগুড়ায় পাঠাতে সময় লাগায় তাঁদের মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শেরপুর উপজেলা, বগুড়া জেলা, ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমিরুল ইসলাম (উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা), জানে আলম খোকা (বগুড়া জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন আহ্বায়ক), ডা. ফারজানুল ইসলাম (বগুড়া জেলা সিভিল সার্জন)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ কোটি টাকা (নির্মাণ খরচ), ৬৬টি দুর্ঘটনা, ৫৫ জন নিহত, ২৭ কিলোমিটার দূরত্ব, ২০ শয্যা, ১৪ জন চিকিৎসক, ৬০ জন কর্মী

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖