📌 কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অপ্রতীমের মৃত্যুর পর তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার জানাজায় কান্নায় ভেঙে পড়েন। জানাজায় হাজারো শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা অংশ নেন। অপ্রতীমের মরদেহ ক্যাম্পাসের পার্শ্ববর্তী জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মৃত্যুর পর তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার জানাজায় কান্নায় ভেঙে পড়েন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে অনুষ্ঠিত জানাজায় সহস্রাধিক মানুষের অংশগ্রহণ ছিল। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী ও কর্মকর্তাসহ হাজারো জনতা উপস্থিত ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মৃত্যুর পর তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার জানাজায় কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং বলেন, ‘আমার একটাই ছেলে। আমার ছেলে যদি কোনো ভুল করে তাহলে মাফ করে দেবেন এবং আমার ছেলের জন্য দোয়া করবেন’।
- 📌 অপ্রতীমের মরদেহ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ক্যাম্পাসের পার্শ্ববর্তী জঙ্গল লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।
- 📌 অপ্রতীমের মা ড. নাহিদা বেগম জানান, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে তার বাসা থেকে বের হয়ে অপ্রতীম আর ফেরিনি বলে জানান।
- 📌 অপ্রতীম স্থানীয় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন এবং তিনি ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান।
- 📌 অপ্রতীমের মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা কেএম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
📰 বিস্তারিত
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে অনুষ্ঠিত জানাজায় বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের কণ্ঠে কান্না ভরে উঠে। তিনি বলেন, ‘আমার একটাই ছেলে। কুমিল্লার আবহাওয়ায় আপনাদের ছায়ায় বড় হয়েছে ও। আমার ছেলে যদি কোনো ভুল করে তাহলে মাফ করে দেবেন এবং আমার ছেলের জন্য দোয়া করবেন’। জানাজায় উপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী ও কর্মকর্তাসহ সহস্রাধিক মানুষের অংশগ্রহণ ছিল।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ক্যাম্পাসের পার্শ্ববর্তী জঙ্গল লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকা থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানাধীন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে বের হয়ে অপ্রতীম আর ফেরিনি বলে জানান তার মা ড. নাহিদা বেগম।
অপ্রতীম ছিলেন বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তিনি ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান। অপ্রতীমের মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা কেএম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
"আমার একটাই ছেলে। আমার ছেলে যদি কোনো ভুল করে তাহলে মাফ করে দেবেন এবং আমার ছেলের জন্য দোয়া করবেন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মাঠ, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানা, কোটবাড়ি (২৪ নম্বর ওয়ার্ড), লালমাই সানন্দা পাহাড়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার, ড. নাহিদা বেগম, ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ সেপ্টেম্বর (জানাজা), ১৯ সেপ্টেম্বর (মরদেহ উদ্ধার), ১৮ সেপ্টেম্বর (বের হয়ে যাওয়া), ১০ টা (জানাজার সময়), ২৪ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!