📌 ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নতুন হামলা এড়াতে সতর্কবার্তা দেন। তিনি শত্রুদের সম্পদ লক্ষ্য করার নির্দেশ দেন এবং যুদ্ধের পরিধি বাড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নতুন সামরিক হামলা এড়াতে সতর্কবার্তা দেন। শনিবার (৩১ অক্টোবর) ইরানের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে তিনি বলেন, শত্রুদের দৃশ্যমান ও অদৃশ্য সম্পদ লক্ষ্য করে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোজতবা খামেনি ইরানের সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নতুন হামলা এড়াতে সতর্কবার্তা দেন।
- 📌 তিনি বলেন, ‘শত্রুদের সব ধরনের সম্পদ লক্ষ্য করে জবাব দেওয়া হবে—কোনো সীমানা মানা হবে না’।
- 📌 বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ আলি আবদোল্লাহি, সেনাপ্রধান আমির হাতামি ও আইআরজিসি কমান্ডার আহমাদ ওয়াহিদি।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার হুমকি দিয়েছেন।
- 📌 ইরান সতর্ক করে দিয়েছে, নতুন যুদ্ধ শুরু হলে তা মধ্যপ্রাচ্য ছাড়িয়ে আরও বড় এলাকায় ছড়িয়ে পড়বে।
📰 বিস্তারিত
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি শনিবার (৩১ অক্টোবর) ইরানের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নতুন সামরিক হামলা এড়াতে সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, ‘যেকোনো স্তরের হুমকির জবাব দিতে হবে। আর এই জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো সীমানা মানা হবে না’।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ আলি আবদোল্লাহি, সেনাপ্রধান আমির হাতামি এবং ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের কমান্ডার আহমাদ ওয়াহিদি। মোজতবা খামেনি সামরিক কর্মকর্তাদের ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু তালিকা হালনাগাদ করার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘আমেরিকান ও জায়নবাদী শত্রুদের দৃশ্যমান ও অদৃশ্য সব ধরনের সম্পদ’ এই তালিকায় যুক্ত করতে হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর মার্চ মাসে তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তবে তিনি এখনও জনসমক্ষে দেখা যায়নি। বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় মোজতবাও আহত হয়েছিলেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, বর্তমানে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই। তবে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মহসেন রেজায়ির কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন। তবে ইরান সতর্ক করে দিয়েছে, নতুন যুদ্ধ শুরু হলে তা মধ্যপ্রাচ্য ছাড়িয়ে আরও বড় এলাকায় ছড়িয়ে পড়বে।
"যুদ্ধের লেলিহান শিখা নিঃসন্দেহে আরও অনেক বড় ভৌগোলিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়বে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইরান (তেহরান), যুক্তরাষ্ট্র (ওশিংটন), ইসরায়েল (জেরুসালেম)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোজতবা খামেনি, ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, আলি আবদোল্লাহি, আমির হাতামি, আহমাদ ওয়াহিদি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ অক্টোবর (বৈঠকের তারিখ), ৩ নভেম্বর (মধ্যবর্তী নির্বাচন), ২৭ অক্টোবর (ইসরায়েলের নির্বাচন), ২৮ ফেব্রুয়ারি (হামলার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!