📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাজাবাসীরা নির্বাচনে 'কম শয়তান' বেছে নিচ্ছেন: নেতানিয়াহু-আইজেনকটের মধ্যে কে কম ক্ষতিকর?

গাজাবাসীরা নির্বাচনে 'কম শয়তান' বেছে নিচ্ছেন: নেতানিয়াহু-আইজেনকটের মধ্যে কে কম ক্ষতিকর?

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজার বাসিন্দারা ইসরায়েলের নির্বাচনে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও গাদি আইজেনকটের মধ্যে 'কম শয়তান' হিসেবে আইজেনকটকে পছন্দ করছেন। তবে তারা আশা করেন না যে, নির্বাচনের ফল গাজার কঠিন পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আনবে

গাজার যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিকল্প হিসেবে গাদি আইজেনকটকে পছন্দ করছেন গাজার বাসিন্দারা। তবে তারা বিশ্বাস করেন না যে, নির্বাচনের ফল গাজার কঠিন পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে। খান ইউনিসের বাসিন্দা আইমান আহমেদ বলেছেন, ‘দুই শয়তানের মধ্যে আমরা অপেক্ষাকৃত কম শয়তানকেই বেছে নিচ্ছি’।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাজার বাসিন্দারা ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহু-আইজেনকটের মধ্যে আইজেনকটকে 'কম ক্ষতিকর' বিকল্প হিসেবে দেখছেন
  • 📌 গাজায় নিয়মিত ইসরায়েলি বিমান হামলা চলছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর না থাকায় বাস্তুচ্যুতদের সংখ্যা ২০ লাখেরও বেশি
  • 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রোডম্যাপে হামাসকে নিরস্ত্র করার কথা থাকলেও বাস্তবায়ন স্থবির
  • 📌 গাজার মানুষের কাছে প্রধান উদ্বেগ হলো খাদ্য সংকট, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের কথা তারা বাদ দিচ্ছেন
  • 📌 নেতানিয়াহু আবারও ক্ষমতায় এলে গাজায় আরও যুদ্ধ ও দুর্ভোগ আসতে পারে বলে আশঙ্কা

📰 বিস্তারিত

গাজার দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিস শহরের বাসিন্দারা ইসরায়েলের নির্বাচন ঘিরে গভীর আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তারা ইসরায়েলের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পরিবর্তে সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটকে পছন্দ করছেন। তবে গাজার মানুষের কাছে আইজেনকটও কঠোর নীতির প্রতিনিধিত্ব করছেন। খান ইউনিসের বাসিন্দা আইমান আহমেদ বলেন, ‘গাজার প্রতি তাদের সবার নীতিই কঠোর, তবে আমরা দুই শয়তানের মধ্যে অপেক্ষাকৃত কম শয়তানকেই বেছে নিচ্ছি’।

আইজেনকট নির্বাচনে জয়ী হলে গাজার পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। নাসের হাসপাতালের কাছাকাছি ধ্বংসস্তূপে ভরা সড়কে বসবাসকারী মোহাম্মদ আবেদ বলেন, ‘আইজেনকট জয়ী হলেও পরিস্থিতির নাটকীয় পরিবর্তন হবে না, কারণ তাদের নীতিগুলো প্রায় একই রকম’। তিনি মনে করেন, নেতানিয়াহু আবারও ক্ষমতায় এলে সেটিকে তাঁর রাজনৈতিক কর্মসূচির বিজয় হিসেবে দেখা হবে।

গাজার প্রায় ২০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত। তাদের অধিকাংশ বোমা হামলায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া নিজেদের বাড়িঘরের ধ্বংসস্তূপে বা মানবেতর পরিবেশে গড়ে ওঠা তাঁবুর শিবিরে বসবাস করছেন। উত্তর গাজার বেইত হানুনের বাস্তুচ্যুত হাসান আল-মাসরি বলেন, ‘আমাদের সবকিছু সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে; আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। তারা আমাদের সন্তানদের হত্যা করেছে, আমাদের বাড়িঘর ধ্বংস করেছে’।

ইসরায়েলের নির্বাচনী প্রচারে গাজার ভবিষ্যৎ খুব একটা গুরুত্ব পায়নি। একমাত্র প্রধান প্রার্থী ইয়াইর গোলান ছোট রাজনৈতিক দল ডেমোক্র্যাটসের নেতৃত্বে গাজার জন্য একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছিলেন। তবে গাজার বাসিন্দা আইমান আহমেদ বলেন, ‘গাজার বাইরের মানুষই শুধু এসব বিষয় নিয়ে ভাবে। আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রতিদিন খাওয়ার মতো পর্যাপ্ত খাবার জোগাড় করা’।

"গাজার প্রতি তাদের সবার নীতিই কঠোর, তবে আমরা দুই শয়তানের মধ্যে অপেক্ষাকৃত কম শয়তানকেই বেছে নিচ্ছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খান ইউনিস (গাজা), বেইত হানুন (গাজা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইমান আহমেদ, মোহাম্মদ আবেদ, হাসান আল-মাসরি, ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, গাদি আইজেনকট
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ লাখ বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖