📌 বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) প্রথমবারের মতো ইমোশনাল ডোনার থেকে কিডনি প্রতিস্থাপন সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। উপাচার্য ডা. এফ এম সিদ্দিকী জানান, আইনি বাধ্যবাধকতা পূরণে অন্য ব্যক্তির কাছ থেকে কিডনি গ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। দাতা-গ্রহীতার সম্পর্ক ও মেডিকেল যাচাইয়ের পর এই প্রক্রিয়া চালু হবে
বাংলাদেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের নতুন সম্ভাবনা খুলেছে। বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) প্রথমবারের মতো ইমোশনাল ডোনার থেকে কিডনি প্রতিস্থাপন সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। এই সফলতা বাংলাদেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো** ইমোশনাল ডোনার থেকে কিডনি প্রতিস্থাপন সফল হয়েছে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ)।
- 📌 **উপাচার্য ডা. এফ এম সিদ্দিকী** জানান, আইনি বাধ্যবাধকতা পূরণে অন্য ব্যক্তির কাছ থেকে কিডনি গ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
- 📌 **দাতা-গ্রহীতার সম্পর্ক ও মেডিকেল যাচাই** করার পর এই প্রক্রিয়া চালু হবে। বিএমইউর বিশেষায়িত টিম দাতার বিষয়ে মেডিকেল ও অন্যান্য জটিল দিক পরীক্ষা করবে।
- 📌 **কোনো অবস্থাতেই কিডনি দানের ক্ষেত্রে অর্থ লেনদেন করা যাবে না** — স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন উপাচার্য।
- 📌 **এ পর্যন্ত বিএমইউতে ছয়টি কিডনি সফলভাবে প্রতিস্থাপন** হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বিএমইউর একটি সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য ডা. এফ এম সিদ্দিকী জানান, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ইমোশনাল ডোনারের মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন সফল হয়েছে। তিনি বলেন, এই সফলতা বাংলাদেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে। এখন থেকে কিডনি রোগীরা নিয়মিত সেবা পাবেন বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন তিনি।
উপাচার্য জানান, আইনি বাধ্যবাধকতা পূরণ সাপেক্ষে নিকটাত্মীয়ের বাইরেও স্বেচ্ছায় কেউ কিডনি দান করতে পারবেন। দাতার সঙ্গে গ্রহীতার সম্পর্ক, আইনি বিষয়সহ প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাইয়ের পর প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে। বিএমইউর একটি বিশেষায়িত টিম দাতার বিষয়ে মেডিকেল ও অন্যান্য জটিল দিক পরীক্ষা করবে। সব ধরনের যাচাই শেষে দাতা প্রকৃতপক্ষে ইমোশনাল ডোনার কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উপাচার্য স্পষ্টভাবে জানান, কোনো অবস্থাতেই কিডনি দানের ক্ষেত্রে অর্থ লেনদেন করা যাবে না। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটিলতার কারণে কিডনি প্রতিস্থাপনের কার্যক্রমে স্থবিরতা ছিল। এখন থেকে কিডনি রোগীরা নিয়মিত সেবা পাবেন বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন তিনি। এ পর্যন্ত বিএমইউতে ছয়টি কিডনি সফলভাবে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
"আইনি বাধ্যবাধকতা পূরণ সাপেক্ষে নিকটাত্মীয়ের বাইরেও স্বেচ্ছায় কেউ কিডনি দান করতে পারবেন। দাতার সঙ্গে গ্রহীতার সম্পর্ক, আইনি বিষয়সহ প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাইয়ের পর প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ), ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপাচার্য ডা. এফ এম সিদ্দিকী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ (সফলভাবে প্রতিস্থাপিত কিডনি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!