📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যশোরে আদালতের এজলাস কক্ষে নথি চুরির অভিযোগে আইনজীবী আটক, বাদী দাবি করেছেন চুরির সাক্ষী

যশোরে আদালতের এজলাস কক্ষে নথি চুরির অভিযোগে আইনজীবী আটক, বাদী দাবি করেছেন চুরির সাক্ষী

📷 ছবি: DBC News

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডিবিসি নিউজ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যশোরের ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের এজলাস কক্ষ থেকে দুটি মামলার নথি চুরির অভিযোগে শিক্ষানবিশ আইনজীবী আবু সাঈদ মোল্যা (৫৪) আটক করা হয়েছে। বাদী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন ট্রাইব্যুনালের কম্পিউটার অপারেটর আসাদুল ইসলাম। আইনজীবী নিজে দাবি করেছেন নথি চুরি করেননি, কিন্তু তার অজান্তেই নথি হারিয়ে গেছে

যশোরের ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের এজলাস কক্ষ থেকে দুটি মামলার নথি চুরির অভিযোগে শিক্ষানবিশ আইনজীবী আবু সাঈদ মোল্যা (৫৪) আটক করা হয়েছে। এই ঘটনায় ট্রাইব্যুনালের কম্পিউটার অপারেটর আসাদুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেছেন। পুলিশের কাছে সোপর্দকৃত আইনজীবীকে কোতোয়ালি থানায় হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যশোর সদর উপজেলার জলকর গ্রামের আবু সাঈদ মোল্যা (৫৪) আটক হন নথি চুরির অভিযোগে
  • 📌 ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের এজলাস কক্ষ থেকে দুটি মামলার নথি হারিয়ে গেছে
  • 📌 আসাদুল ইসলামের দাবি: আইনজীবী নথি চুরি করেছেন
  • 📌 আইনজীবী দাবি করেছেন: তিনি নথি চুরি করেননি, ডায়েরির সঙ্গে নথি হারিয়ে গেছে
  • 📌 বিচারক সুমাইয়া কাওসার নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ দেন
  • 📌 কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক দেবাশীষ হালদার আইনজীবীকে হেফাজতে নিয়ে যান

📰 বিস্তারিত

বুধবার দুপুর ২টার দিকে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের এজলাস কক্ষে কর্মরত ছিলেন আসাদুল ইসলাম এবং অফিস সহায়ক আব্দুল বারিক। সেই সময় আইনজীবী আবু সাঈদ মোল্যা কার্যালয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন। কিছুক্ষণ পর অফিস সহায়ক মামুন মিয়া জানান যে, টেবিলে থাকা দুটি মামলার নথি হারিয়ে গেছে। কর্মকর্তারা বিভিন্ন স্থানে খুঁজে দেখলেও নথি পাওয়া যায়নি।

বিকেল ৩টার দিকে চৌগাছা সিভিল জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী শেখ আব্দুর বাছেদের মোবাইল ফোনে জানানো হয় যে, আইনজীবী আবু সাঈদ মোল্যা নথিসহ আটক করা হয়েছে। পরে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে বিচারক সুমাইয়া কাওসারের সামনে হাজির করেন। বিচারক এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ দেন।

আটক আইনজীবী আবু সাঈদ মোল্যা নিজে দাবি করেছেন যে, তিনি নথি দুটি চুরি করেননি। তার কথায়, ডায়েরির সঙ্গে নথি দুটি চলে গিয়েছিল। তিনি চৌগাছা সিভিল জজ আদালতে ডায়েরি রাখেন। পরে তিনি দেখতে পান যে, ডায়েরির নিচে নথি দুটি রয়েছে। এরপর তিনি নথি দুটি চৌগাছা সিভিল জজ আদালতে রেখে যান। পরে তাকে ডেকে এনে আটক করা হয়।

"আমি নথি দুটি চুরি করেনি। ডায়েরির সঙ্গে নথি দুটি চলে গিয়েছিল। ওই ডায়েরি আমি চৌগাছা সিভিল জজ আদালতে রাখি। পরে দেখতে পাই, ডায়েরির নিচে নথি দুটি রয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যশোরের ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, চৌগাছা সিভিল জজ আদালত, কোতোয়ালি থানা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু সাঈদ মোল্যা (৫৪), আসাদুল ইসলাম, দেবাশীষ হালদার, বিচারক সুমাইয়া কাওসার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৪ বছর, দুটি মামলার নথি, দুপুর ২টা, বিকেল ৩টা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖