📌 ঠাকুরগাঁও জেলা আদালতে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের কারাগারে পাঠানোর আদেশে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পুলিশ সদস্য রবিউল ইসলামের মাথায় আঘাত লাগে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়
ঠাকুরগাঁও জেলা আদালতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় কারাগারে পাঠানোর আদেশে আসামিদের হাজতখানায় নিয়ে যাওয়ার সময় ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এই উত্তেজনার ফলশ্রুতিতে পুলিশ সদস্য রবিউল ইসলাম আহত হন। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঠাকুরগাঁও জেলা ও দায়রা জজ আদালত সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ১৭ জন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
- 📌 আসামিদের হাজতখানায় নিয়ে যাওয়ার সময় ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং পুলিশ সদস্য রবিউল ইসলামের মাথায় আঘাত লাগে।
- 📌 আহত পুলিশ সদস্য রবিউল ইসলামের ভাষ্য, ২ থেকে ৩ জন ব্যক্তি আকস্মিকভাবে তাঁর মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যায়।
- 📌 মামলায় অভিযোগ করা হয়, পীরগঞ্জের ভাকুরা ধনীপাড়া গ্রামে আকতারুল ইসলামের বাড়িতে গোপন বৈঠকে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড ও নাশকতার পরিকল্পনা করা হয়।
- 📌 মামলায় ২০ আসামির মধ্যে ১৭ জন উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছিলেন, কিন্তু নিয়মিত জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁও জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. জামাল হোসেন সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ১৭ জন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতে আসামিদের হাজতখানায় নিয়ে যাওয়ার সময় ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এই উত্তেজনার ফলশ্রুতিতে পুলিশ সদস্য রবিউল ইসলামের মাথায় আঘাত লাগে। আহত পুলিশ সদস্য রবিউল ইসলামের ভাষ্য, আসামিদের নিয়ে যাওয়ার সময় ২ থেকে ৩ জন ব্যক্তি আকস্মিকভাবে তাঁর মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। মামলার বিবরণী ও আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৬ আগস্ট পীরগঞ্জ থানায় এসআই মো. আশরাফুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এতে পীরগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আকতারুল ইসলামসহ ২০ জনের নামোল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়, পীরগঞ্জের ভাকুরা ধনীপাড়া গ্রামে আকতারুল ইসলামের বাড়িতে গোপন বৈঠক করে আসামিরা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড ও নাশকতার পরিকল্পনা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন আলামত জব্দ করে এবং দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার এজাহারভুক্ত ২০ আসামির মধ্যে ১৭ জন উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিয়েছিলেন। মেয়াদ শেষে মঙ্গলবার তাঁরা আদালতে আত্মসমর্পণ করে নিয়মিত জামিনের আবেদন করেন। শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার হোসেন দাবি করেন, তাঁর মক্কেলরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। মামলায় প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করা ফেসবুকের ছবি ও স্ক্রিনশটে সুনির্দিষ্ট তারিখ বা তথ্য নেই। তিনি দাবি করেন, ছবিগুলো পুরোনো কিংবা এআই দিয়ে তৈরি বা পরিবর্তিত হয়ে থাকতে পারে। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী জানান, তাঁরা পরবর্তী সময়ে উচ্চ আদালতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন।
"আসামিদের নিয়ে যাওয়ার সময় ২ থেকে ৩ জন ব্যক্তি আকস্মিকভাবে আমার মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঠাকুরগাঁও জেলা ও দায়রা জজ আদালত, পীরগঞ্জ উপজেলা, ভাকুরা ধনীপাড়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. জামাল হোসেন (বিচারক), রবিউল ইসলাম (পুলিশ সদস্য), মো. আকতারুল ইসলাম (সাবেক চেয়ারম্যান), অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার হোসেন (আসামিপক্ষের আইনজীবী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ জন নেতা-কর্মী, ২০ জন আসামি, ২৫ থেকে ৩০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি, ২ থেকে ৩ জন আক্রমণকারী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!