📌 টাঙ্গাইলের মধুপুরে ইয়াবা বণ্টনে ৭৩৫ গ্রাম মাদক উদ্ধার মামলায় মো. মামুন মিয়া (৩৪) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন। আসামি পলাতক থাকায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর থানাধীন হরিণধরা এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের যৌথ অভিযানে ৭৩৫ গ্রাম ইয়াবা উদ্ধার মামলায় সিনিয়র দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মো. মামুন মিয়া (৩৪)কে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মো. মামুন মিয়া (৩৪)কে ইয়াবা বণ্টনে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে
- 📌 ৭৩৫ গ্রাম ইয়াবা (১৯টি পলিব্যাগে) উদ্ধার করা হয়েছিল ময়মনসিংহ বিভাগীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের অভিযানে
- 📌 আসামি পলাতক থাকায় গ্রেফতারি ও সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছে
- 📌 মো. কাওসারুল হাসান রনি (সহকারী পরিচালক) মামলা দায়ের করেন, মো. শফিকুল ইসলাম রিপন (পিপি) ঘটনাটি বর্ণনা করেন
📰 বিস্তারিত
গত ১৯ মে রাতে ময়মনসিংহ বিভাগীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর গোয়েন্দা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা, সেনাবাহিনী ও র্যাবের সদস্যদের সমন্বয়ে একটি যৌথ রেইডিং টিম টাঙ্গাইলের মধুপুর থানাধীন হরিণধরা এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে একটি মোটরসাইকেল থামিয়ে মামুন মিয়াকে আটক করা হয়। তার কাঁধে থাকা ট্রাভেল ব্যাগ তল্লাশি করে ১৯টি পলিব্যাগে রাখা মোট ৭৩৫ গ্রাম ইয়াবা (১৯টি পলিব্যাগে ৭ হাজার ৩৫০ টি ট্যাবলেট) উদ্ধার করা হয়। রাসায়নিক পরীক্ষায় এসব ট্যাবলেটে ‘মিথাইল এমফিটামিন’ উপাদানের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়।
মামলা দায়েরের পর আদালত মোট সাতজন সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরা গ্রহণ করে। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক মামুন মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। আসামি শেরপুর জেলার শেরপুর সদর থানার চর মোচারিয়া ইউনিয়নের মুন্সিরচর হরিণধরা গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুছের ছেলে।
"মামলা চলাকালীন আদালত সাতজন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে। সাক্ষ্য ও প্রমাণ পর্যালোচনা করে আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টাঙ্গাইল জেলা, মধুপুর থানা, হরিণধরা এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মামুন মিয়া (৩৪), বিচারক মো. হাফিজুর রহমান, সহকারী পরিচালক মো. কাওসারুল হাসান রনি, পিপি মো. শফিকুল ইসলাম রিপন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৩৫ গ্রাম ইয়াবা, ৭ হাজার ৩৫০ টি ট্যাবলেট, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, ১৯টি পলিব্যাগ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!