📌 টাঙ্গাইল মধুপুরে কবিরাজি চিকিৎসার নামে ১৭ বছর বয়সী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তদের মধ্যে একজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ভুক্তভোগীর বাবা মামলা দায়ের করেছেন
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় কবিরাজি চিকিৎসার নামে ১৭ বছর বয়সী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্যে একজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা এজাজুল করিম রেজাউল মামলা দায়ের করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 টাঙ্গাইল মধুপুরে ১৭ বছর বয়সী কিশোরীকে কবিরাজি চিকিৎসার নামে ধর্ষণ করা হয়
- 📌 অভিযুক্তদের মধ্যে একজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে
- 📌 অভিযুক্তরা হলেন: ইমাম হাসান হৃদয় (২৩), মোশারফ হোসেন (২৭) ও সেলিম ওরফে আল আমিন (৩১)
- 📌 ভুক্তভোগী কিশোরীকে ১ সেপ্টেম্বর মোশারফ হোসেনের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়
- 📌 ধর্ষণে ১৫ হাজার টাকা পরিশোধের পর ঘটনা ঘটে
📰 বিস্তারিত
মধুপুর উপজেলার অরণখোলা এলাকার বাহারাম বাদশার ছেলে ইমাম হাসান হৃদয় (২৩), গোপদ এলাকার মকবুল হোসেনের ছেলে মোশারফ হোসেন (২৭) এবং মোখলেছুর রহমান মুকুলের ছেলে সেলিম ওরফে আল আমিন (৩১) এই ঘটনায় অভিযুক্ত। পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, শারীরিক অসুস্থতায় ভোগতে থাকা ভুক্তভোগী কিশোরীকে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ১ সেপ্টেম্বর সকালে মোশারফ হোসেনের বাড়িতে নিয়ে যান তার পরিবারের সদস্যরা। সেখানে চিকিৎসার জন্য ১৫ হাজার টাকা পরিশোধের পর মোশারফ কিশোরীকে একটি কক্ষে নিয়ে যান। পরবর্তীতে কবিরাজি চিকিৎসার অজুহাতে মোশারফের সহায়তায় ইমাম হাসান হৃদয় ও সেলিম ওরফে আল আমিন কক্ষে প্রবেশ করে কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
কিশোরীর চিৎকারে তার পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। ঘটনাস্থলে ভুক্তভোগীর বাবা এজাজুল করিম রেজাউল রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে মধুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তা মামলা হিসেবে রুজু করে অভিযান চালিয়ে মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সেলিম ওরফে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে। পুলিশ জানায়, মামলার সুষ্ঠু তদন্ত চালিয়ে বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
"শারীরিক অসুস্থতায় ভোগতে থাকা ভুক্তভোগী কিশোরীকে চিকিৎসার নামে ধর্ষণ করা হয়েছে। অভিযুক্তরা কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মধুপুর উপজেলা, টাঙ্গাইল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এজাজুল করিম রেজাউল (ভুক্তভোগীর বাবা), ইমাম হাসান হৃদয় (২৩), মোশারফ হোসেন (২৭), সেলিম ওরফে আল আমিন (৩১)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ বছর (ভুক্তভোগীর বয়স), ১৫ হাজার টাকা (চিকিৎসা খরচ), ৬ সেপ্টেম্বর (অভিযোগ দায়েরের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!