📌 বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরির হত্যাকাণ্ড মামলায় তার বান্ধবী জেরিকা তাসনিম দিশাকে আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে। রিমান্ড শেষে দিশা মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে, তবে তার বক্তব্য ক্রসচেকের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে
বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরির হত্যাকাণ্ড মামলায় তার বান্ধবী জেরিকা তাসনিম দিশাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রিমান্ডের শেষ দিনে দিশাকে আদালতে হাজির করে নৌ পুলিশের টঙ্গী ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬ নভেম্বর রিমান্ড শেষে দিশাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে — মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে, তবে তার বক্তব্য ক্রসচেকের প্রয়োজন
- 📌 মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফিরোজ উদ্দিন বলেছেন, দিশা ও আরেক সন্দিগ্ধ আসামি দীপের বক্তব্যের মধ্যে মিল-অমিল রয়েছে
- 📌 তাহসিফের মোবাইল ফোনের কললিস্ট থেকে জানা যায়, দিশার সঙ্গে তার একাধিকবার কথা বলা হয়েছিল
- 📌 আসামিপক্ষ জামিন আবেদন করেনি, তবে তদন্ত কর্মকর্তা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, দিশা পলাতক হয়ে মামলার তদন্তে বিঘ্ন ঘটাতে পারেন
- 📌 ৩১ অক্টোবর রাত ২টার দিকে কাফরুল এলাকায় দিশাকে গ্রেফতার করা হয়, পরে ১ নভেম্বর ও ৪ নভেম্বর রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়
📰 বিস্তারিত
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নৌ পুলিশের টঙ্গী ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন জানান, জিজ্ঞাসাবাদে দিশা মামলার ঘটনার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তবে তিনি অত্যন্ত চতুর প্রকৃতির হওয়ায় একাধিক প্রশ্নের উত্তর কৌশলে এড়িয়ে গেছেন। তদন্তের স্বার্থে দিশার দেওয়া তথ্যগুলো গোপন রেখে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এছাড়া মামলার আরেক সন্দিগ্ধ আসামি আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপও বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রিমান্ডে রয়েছেন।
তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, দিশা ও দীপের দেওয়া বক্তব্যের মধ্যে মিল-অমিল রয়েছে। তাহসিফের মোবাইল ফোনের কললিস্ট পর্যালোচনায় দেখা যায়, দিশার সঙ্গে তার একাধিকবার কথা বলা হয়েছিল। প্রাথমিক তদন্তে এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে দিশার সংশ্লিষ্টতার তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন ও সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্ত কর্মকর্তা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, আসামি জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক হয়ে মামলার তদন্তে বিঘ্ন ঘটাতে পারেন। এ কারণে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন বলে দাবি করা হয়েছে।
গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় বন্ধু দীপের ডাকে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন তাহসিফ। পরদিন বিকেলে তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। ৩০ অক্টোবর রাতে রাজধানীর উত্তরখান থানায় হত্যা মামলা করেন তার বাবা কে এম এনায়েতুল করিম। পরে এ মামলায় দীপ ও দিশাকে সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।
"তদন্তের স্বার্থে দিশার দেওয়া তথ্যগুলো গোপন রেখে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তবে তিনি অত্যন্ত চতুর প্রকৃতির হওয়ায় একাধিক প্রশ্নের উত্তর কৌশলে এড়িয়ে গেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, কাফরুল এলাকা, তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেরিকা তাসনিম দিশা, তাহসিফ সাউরি, ফিরোজ উদ্দিন, আমিনুল ইসলাম জুনাইদের, আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ নভেম্বর (রিমান্ড শেষ), ৩১ অক্টোবর (গ্রেফতার), ২৭ অক্টোবর (নিখোঁজ), ৩০ অক্টোবর (মামলা দায়ের)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!