📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রয়েল কেয়ার হাসপাতালে নবজাতকের শরীর পুড়ে যাওয়ার ঘটনা: বাবা দাবি করছেন চিকিৎসা অবহেলা

রয়েল কেয়ার হাসপাতালে নবজাতকের শরীর পুড়ে যাওয়ার ঘটনা: বাবা দাবি করছেন চিকিৎসা অবহেলা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজীপুরের বাসিন্দা গোলাম রাব্বানীর দ্বিতীয় সন্তান জন্মের পর ঢাকার চানখাঁরপুলের বেসরকারি রয়েল কেয়ার হাসপাতালে এনআইসিইউতে রাখার সময় শিশুটির শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায়। বাবা দাবি করেন, অতিরিক্ত তাপের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরিবার আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে

গাজীপুরের বাসিন্দা গোলাম রাব্বানীর দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পর ঢাকার চানখাঁরপুলের বেসরকারি রয়েল কেয়ার হাসপাতালে নবজাতকের শরীরের মাথা, পিঠ ও পায়ের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় শিশুটির জীবন নিয়ে পরিবার উদ্বিগ্ন। বাবা গোলাম রাব্বানী দাবি করছেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও অতিরিক্ত তাপের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে এবং চিকিৎসা অবহেলার কারণে শিশুটির অবস্থা মারাত্মক।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গোলাম রাব্বানীর দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এনআইসিইউর শয্যা না পাওয়ার কারণে রয়েল কেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয় শিশুটিকে।
  • 📌 এনআইসিইউতে রাখার কিছুক্ষণ পর শিশুটির শরীরের মাথা, পিঠ ও পায়ের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায়।
  • 📌 গোলাম রাব্বানী দাবি করেন, অতিরিক্ত তাপের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা রয়েছে।
  • 📌 হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট ঘটেছে এবং তাদের কোনো গাফিলতি নেই।
  • 📌 শিশুটির বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক।
  • 📌 গোলাম রাব্বানী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

📰 বিস্তারিত

গোলাম রাব্বানীর বাড়ি বগুড়ার কাহালু উপজেলার পলি বগুই গ্রামে। বর্তমানে পরিবার গাজীপুরে বসবাস করছেন। শনিবার ভোর চারটার দিকে স্ত্রী শাপলা বেগমের দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হয়। জন্মের পর চিকিৎসকেরা শিশুটিকে এনআইসিইউতে রাখার পরামর্শ দেন। কিন্তু ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এনআইসিইউর শয্যা না পাওয়ার কারণে গোলাম রাব্বানী একটি ব্যক্তির পরামর্শে রয়েল কেয়ার হাসপাতালে শিশুটিকে নিয়ে যান।

হাসপাতালে শিশুটিকে এনআইসিইউতে রাখার কিছুক্ষণ পরই ঘটে বিপদ। গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘হঠাৎ চিৎকার শুনতে পাই, আগুন। ততক্ষণে আমার সন্তানের শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে গেছে।’ তিনি দাবি করেন, এনআইসিইউতে অতিরিক্ত তাপের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে। তিনি আরও বলেন, শিশুটি দগ্ধ হওয়ার পর হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীগণ চলে যান এবং আর পাওয়া যায়নি।

হাসপাতালের মালিক অপর্ণা হালদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট সার্কিট হয়েছিল। এখানে আমাদের কোনো গাফিলতি নেই।’ তবে গোলাম রাব্বানী দাবি করেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও চাপের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে। তিনি বলেন, ‘আমার বাচ্চাকে সুস্থ করে তোলার বদলে তারা মৃত্যুমুখে ঠেলে দিল।’

"আমার বাচ্চার বাঁচার সম্ভাবনা ক্ষীণ। ঢাকা মেডিকেলের ডাক্তার জানিয়েছেন, আমার বাচ্চাকে সুস্থ করে তোলার বদলে তারা মৃত্যুমুখে ঠেলে দিল।"

বর্তমানে দগ্ধ শিশুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এনআইসিইউতে চিকিৎসাধীন। গোলাম রাব্বানী জানান, তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করবেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চানখাঁরপুল, ঢাকা (রয়েল কেয়ার হাসপাতাল), ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গোলাম রাব্বানী (বাবা), শাপলা বেগম (মা), অপর্ণা হালদার (হাসপাতাল মালিক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ (দ্বিতীয় সন্তান), ৪ (ভোর চারটায় জন্ম), ২ (মিনিটের মধ্যে ক্ষতি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖