📌 আপিল বিভাগের প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও অন্যান্য বিচারপতিরা আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকনের কথা শুনে এজলাস ত্যাগ করেন। আইনজীবীকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা দেওয়ার পর খোকন বিচারিক শৃঙ্খলা সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেন, যার ফলে বিচারপতিরা সভা ছেড়ে চলে যান
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও অন্যান্য বিচারপতিরা আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকনের কথা শুনে এজলাস ত্যাগ করেছেন। এই ঘটনা ঘটে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে। খোকন আইনজীবীদের ইনকাম কমে যাওয়ার বিষয়ে প্রধান বিচারপতিকে প্রশ্ন তুললে বিচারিক শৃঙ্খলা ভেঙ্গে পড়ল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১২ টায় আপিল বিভাগের বিচারপতিরা এজলাস ত্যাগ — প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও অন্যান্য বিচারপতিরা আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকনের কথা শুনে সভা ছেড়ে চলে যান।
- 📌 ৫ লাখ টাকা জরিমানা — মহিলা আইনজীবীকে পাঁচ লাখ টাকা কস্ট দেওয়ার পর খোকন প্রশ্ন তুলেন, যার ফলে বিচারিক শৃঙ্খলা ভেঙ্গে পড়ল।
- 📌 ১০ লাখ টাকা জরিমানা — রিটকারী মো. নুর আলম ও আইনজীবী সুফিয়া আহমেদকে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়, যা ৩০ দিনের মধ্যে শিশু হাসপাতালে জমা দিতে হবে।
- 📌 আদালতের সিরিয়াস ফ্রড দাবি — অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, রিটকারী তথ্য গোপন করে একাধিক রিট দায়ের করেছেন, যা আদালতের সিরিয়াস ফ্রড হিসেবে বিবেচিত।
📰 বিস্তারিত
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে একটি মামলায় আইনজীবীকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা দেওয়ার পর আইনজীবী সমিতির সভাপতি মাহবুব উদ্দিন খোকন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর সাথে কথোপকথনে প্রশ্ন তুলেন। খোকন বলেন, “আপনি প্রধান বিচারপতি হওয়ার পর আপিল বিভাগে মামলা খুব একটা হচ্ছে না। আইনজীবীদের ইনকাম (আয়) কমে গেছে। আগে আপিল বিভাগে ১১ জন বিচারপতি ছিলেন। এখন একটি বেঞ্চ। একটি মামলা স্থগিত হলে সেখানে শুনানি করতে পারছি না।”
খোকনের কথা শুনে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও আপিল বিভাগের অন্যান্য বিচারপতিরা এজলাস ত্যাগ করেন। অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, “আদালতের বক্তব্য অনুযায়ী সিরিয়াস ফ্রড করা হয়েছে। আদালতের সঙ্গে প্রতারণা এমনকি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ইতিপূর্বের আদেশও ফ্রড করা হয়েছে।”
এই ঘটনার পটভূমিতে, যাত্রাবাড়ী থানার ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মো. নুর আলম একাধিক রিট দায়ের করেন। আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন নুর আলমের পক্ষে ছিলেন। এই মামলায় তথ্য গোপন করে একাধিক রিট করায় আপিল বিভাগ রিটকারী ও আইনজীবীকে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেন। এই টাকা ৩০ দিনের মধ্যে শিশু হাসপাতালে জমা দিতে হবে।
"আপনি প্রধান বিচারপতি হওয়ার পর আপিল বিভাগে মামলা খুব একটা হচ্ছে না। আইনজীবীদের ইনকাম (আয়) কমে গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, মাহবুব উদ্দিন খোকন, অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল, মো. নুর আলম, আইনজীবী সুফিয়া আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ লাখ টাকা (জরিমানা), ১০ লাখ টাকা (মোট জরিমানা), ৩০ দিন (জমা দিতে হবে), ১১ জন (আগের বিচারপতি), ১৩ নম্বর (আইটেম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!