📌 সাতক্ষীরার কনটেন্ট ক্রিয়েটর আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পুলিশ পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার করেছে। মামলায় অভিযোগ রয়েছে ব্যক্তিগত ভিডিও ব্যবহার করে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও টাকা দাবি করা। বাদী সাহেব আলী মামলা দায়ের করেছেন
সাতক্ষীরার কনটেন্ট ক্রিয়েটর আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পুলিশ পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে দেবহাটা উপজেলার চণ্ডীপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলায় অভিযোগ রয়েছে ব্যক্তিগত ও আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাতক্ষীরার কনটেন্ট ক্রিয়েটর **আব্দুল্লাহ আল মামুন**কে পুলিশ পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার করেছে।
- 📌 গ্রেপ্তার করা হয়েছে **৩ নভেম্বর রাতে** দেবহাটা উপজেলার চণ্ডীপুর গ্রাম থেকে।
- 📌 মামলায় অভিযোগ রয়েছে **ভয়ভীতি প্রদর্শন, টাকা দাবি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশ**।
- 📌 বাদী **সাহেব আলী** (নওয়াপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান) **১ নভেম্বর** সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
- 📌 মামলাটি **পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন** অনুযায়ী করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
সাতক্ষীরা সদর থানায় দায়েরকৃত মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, আব্দুল্লাহ আল মামুন পারিবারিক কারণে ব্যক্তিগত ভিডিও ব্যবহার করে ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করছিলেন। এছাড়াও, তিনি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছিলেন। বাদী সাহেব আলী দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান। বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরায় বসবাস করছেন।
মামলার এজাহারে জানা যায়, মামুনের এই অপরাধের কারণে পারিবারিক সম্পর্কে তান্ডব মচিয়ে যাচ্ছিল। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মামুনের এই অপরাধের কারণে পরিবারটি আর্থিক ও মানসিকভাবে চাপে পড়ছিল।
মামলার বিস্তারিত জানতে গেলে দেখা যায়, **১ নভেম্বর** সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশের তদন্তের পর মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
"পারিবারিক কারণে ব্যক্তিগত ভিডিও ব্যবহার করে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও টাকা দাবি করা — এই অভিযোগে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: **দেবহাটা উপজেলা, সাতক্ষীরা** (গ্রেপ্তার), **সাতক্ষীরা সদর থানা** (মামলা দায়ের)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: **আব্দুল্লাহ আল মামুন** (গ্রেপ্তারকৃত), **সাহেব আলী** (বাদী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: **৩ নভেম্বর** (গ্রেপ্তার তারিখ), **১ নভেম্বর** (মামলা দায়ের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!