📌 সাতক্ষীরা সদর থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে চেয়ারম্যানকে ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগে ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়
সাতক্ষীরায় একজন চেয়ারম্যানকে ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাতে দেবহাটা উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ২২ বছর বয়সী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে আটক করা হয়। তিনি সেখানকার প্রি-ক্যাডেট স্কুলের পরিচালক করিম উল্লাহ মাস্টারের ছেলে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আব্দুল্লাহ আল মামুনকে সাতক্ষীরা সদর থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর আওতায় মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- 📌 চেয়ারম্যান সাহেব আলীকে ১৫ অক্টোবর ও ২০ অক্টোবর তার সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগত ভিডিও পাঠিয়ে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়।
- 📌 ২৯ ও ৩০ অক্টোবর তার ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ‘সখিপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল’ ও মামুনের ফেসবুক আইডি থেকে ফেসবুকে প্রকাশ করা হয়।
- 📌 মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে সখিপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি জিসান বাবুল এবং তৃতীয় আসামি হিসেবে সাহেব আলীর সাবেক স্ত্রীকে উল্লেখ করা হয়েছে।
- 📌 পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, প্রথমে পাঁচ লাখ, পরে তিন লাখ এবং শেষে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল।
📰 বিস্তারিত
সাতক্ষীরা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জামিল কবির জানান, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামুনের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়সহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রায় ছয়-সাত মাস আগে সাহেব আলী তার স্ত্রীকে তালাক দেন। পরে ওই নারীর সঙ্গে অভিযুক্তদের পরিচয় ও যোগাযোগ হয়।
সাহেব আলী বলেন, ‘আমার সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে ধারণ করা ব্যক্তিগত ও আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করা হচ্ছিল। প্রথমে পাঁচ লাখ, পরে তিন লাখ এবং এরপর এক লাখ টাকা দাবি করা হয়। একপর্যায়ে ৫০ হাজার টাকায় রাজি হয় তারা। টাকা দেওয়ার পরও ব্ল্যাকমেল করা হচ্ছিল। পাশাপাশি আপত্তিকর ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছিল। পরে নিরুপায় হয়ে থানায় মামলা করেছি।’
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, গত ১৫ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও পাঠিয়ে চেয়ারম্যানকে ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে ২০ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টার দিকে আবার যোগাযোগ করে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এজাহারে এ-সংক্রান্ত ভিডিও, স্ক্রিনশট ও অডিও রেকর্ডিং সংরক্ষণের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
"আমার সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে ধারণ করা ব্যক্তিগত ও আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করা হচ্ছিল। প্রথমে পাঁচ লাখ, পরে তিন লাখ এবং এরপর এক লাখ টাকা দাবি করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দেবহাটা উপজেলা, চন্ডিপুর গ্রাম, সাতক্ষীরা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাহেব আলী, জিসান বাবুল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ অক্টোবর, ২০ অক্টোবর, ২৯ অক্টোবর, এক লাখ টাকা, ৫০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!