📌 যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা ও ট্রাম্পের বিরোধী নীতি তেল বাজারে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। ফলে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮২ সেন্ট বেড়ে ১০৪ ডলার ৪২ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের তেল মজুত কমে যাওয়াও দাম বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরোধী নীতি বিশ্ব তেল বাজারে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮২ সেন্ট বা ০.৮ শতাংশ বেড়ে ১০৪ ডলার ৪২ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৫০ সেন্ট বা ০.৫ শতাংশ বেড়ে ৯৬ ডলার ৫৯ সেন্টে উঠেছে। বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা ১০ মিনিটে এই দর রেকর্ড করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮২ সেন্ট বেড়ে ১০৪ ডলার ৪২ সেন্টে দাঁড়িয়েছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই তেলের দাম ৫০ সেন্ট বেড়ে ৯৬ ডলার ৫৯ সেন্টে উঠেছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা উভয় কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের তেল মজুত ৫২ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল কমেছে
- 📌 গ্যাসোলিনের মজুত বেড়েছে ১৪ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল, ডিজেলের মজুত কমেছে ১১ লাখ ৯০ হাজার ব্যারেল
📰 বিস্তারিত
বিশ্ব তেল বাজারে বর্তমানে অনিশ্চয়তার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা উভয় কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে। এতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বাকি সময়ে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের বিরোধী নীতি ও তার বিরোধী বক্তব্য তেল বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়াচ্ছে।
ইরানে সামরিক হামলা চলছে, কিন্তু ওয়াশিংটন বড় ধরনের সংঘাত বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে। ফিলিপ নোভার বাজার বিশ্লেষণ বিভাগের প্রধান প্রিয়াঙ্কা সচদেবা বলেছেন, অক্টোবরে তেলের দামে বড় উল্লম্ফনের পর বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নিয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ কমিয়ে আনা স্বাভাবিক। তবে হরমুজ প্রণালি ঘিরে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার ঝুঁকি এখনো কাটেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের তেল মজুত কমে যাওয়াও দাম বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। ৩০ অক্টোবর শেষ হওয়া সপ্তাহে দেশটির অপরিশোধিত তেলের মজুত ৫২ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল কমেছে। তবে রয়টার্সের জরিপে অংশ নেওয়া বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ছিল মজুত বাড়বে ৮ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল। অন্যদিকে গ্যাসোলিনের মজুত বেড়েছে ১৪ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল, কিন্তু ডিজেলের মতো পরিশোধিত জ্বালানির মজুত কমেছে ১১ লাখ ৯০ হাজার ব্যারেল। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসনের (ইআইএ) আনুষ্ঠানিক মজুতের তথ্য বুধবার (৪ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় প্রকাশ করার কথা রয়েছে।
"অক্টোবরে তেলের দামে বড় উল্লম্ফনের পর বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়া এবং ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ কমিয়ে আনা স্বাভাবিক। তবে হরমুজ প্রণালি ঘিরে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার ঝুঁকি এখনো কাটেনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, আন্তর্জাতিক তেল বাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, প্রিয়াঙ্কা সচদেবা (ফিলিপ নোভার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮২ সেন্ট (ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বৃদ্ধি), ১০৪ ডলার ৪২ সেন্ট (ব্রেন্ট ক্রুডের বর্তমান দাম), ৫২ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল (মজুত কমে যাওয়া)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!