📌 সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় চাঁদা দাবির ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আবদুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলায় আরও তিনজন আসামি রয়েছে, তাদের গ্রেপ্তার অভিযান চলছে
সাতক্ষীরা সদর থানায় চাঁদা দাবির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানোর অভিযোগে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আবদুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে দেবহাটা উপজেলার চণ্ডিপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামুন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর চাকরিচ্যুত সাবেক সদস্য করিম উল্লাহ মাস্টারের ছেলে এবং স্থানীয় প্রি-ক্যাডেট স্কুলের পরিচালক।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩ নভেম্বর রাতে সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ দেবহাটা উপজেলার চণ্ডিপুর গ্রাম থেকে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আবদুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করে।
- 📌 মামলায় জিসান বাবুল (সখিপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি), আবদুল্লাহ আল মামুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস মৌসুমি (ভুক্তভোগী সাবেক স্ত্রী) তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।
- 📌 ১৫ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত আসামিরা ভুক্তভোগীর হোয়াটসঅ্যাপে চাঁদা দাবি করে, পরে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।
- 📌 ৫০ হাজার টাকা সমঝোতা হলেও আসামিরা ব্লাকমেইল অব্যাহত রাখে। বাদী মোঃ আলমগীর হোসেন সাহেব আলী সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হওয়ার অভিযোগে মামলা করেন।
- 📌 পুলিশ তদন্তকারী জামিল কবির জানান, একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, বাকীদের গ্রেপ্তার অভিযান চলছে।
📰 বিস্তারিত
সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেন সাহেব আলী তার সাবেক স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস মৌসুমির সঙ্গে ধারণ করা অন্তরঙ্গ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ১৫ অক্টোবর থেকে আসামিরা হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা না দেওয়ার হুমকি দিয়ে তারা ২০ অক্টোবর ভিডিও পাঠান এবং ২৯ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।
মামলার এজহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের গত ছয়-সাত মাস আগে পারিবারিক বিরোধের কারণে আলমগীর হোসেন সাহেব আলী তার স্ত্রীকে তালাক দেন। পরে আসামিরা তার সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে এবং তার অন্তরঙ্গ ভিডিও সংগ্রহ করে। ৫০ হাজার টাকা সমঝোতা হলেও আসামিরা ব্লাকমেইল অব্যাহত রাখে। বাদী জানান, সামাজিকভাবে তাকে হেয়প্রতিপন্ন ও মানহানির উদ্দেশ্যে এই অপরাধ করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জামিল কবির জানান, একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকীদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলায় আরও দুই-তিনজন অজ্ঞাতনামা আসামি রয়েছে।
"আমি নিরুপায় হয়ে ডিজিটাল প্রমাণসহ সাতক্ষীরা সদর থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছি। সামাজিকভাবে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন ও মানহানির উদ্দেশ্যে এই অপরাধ করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাতক্ষীরা সদর থানা, দেবহাটা উপজেলা, চণ্ডিপুর গ্রাম, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল্লাহ আল মামুন (গ্রেপ্তার), মোঃ আলমগীর হোসেন সাহেব আলী (বাদী), জিসান বাবুল (সভাপতি), জান্নাতুল ফেরদৌস মৌসুমি (ভুক্তভোগী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ নভেম্বর (গ্রেপ্তার তারিখ), ১৫ অক্টোবর (চাঁদা দাবির শুরু), ৫০ হাজার টাকা (সমঝোতা), ৩ জন (প্রধান আসামি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!