📌 ফরিদপুর থানার পুলিশ পৃথক অভিযানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন নেতা ও তিনজন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আসামি সহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়াও নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবনের অভিযোগে আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়
ফরিদপুরে পৃথক অভিযানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় নেতা ও তিনজন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আসামি সহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পাবনার ফরিদপুর থানার পুলিশ। বুধবার (৪ নভেম্বর) এই অভিযান পরিচালিত হয় ওসি মনজুরুল হাসান মাসুদের নেতৃত্বে। পুলিশের তথ্যমতে, অভিযান চলাকালে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সদস্য ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের সেবনকারীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফরিদপুর থানার পুলিশ পৃথক অভিযানে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে, যার মধ্যে আওয়ামী লীগের একজন নেতা ও তিনজন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আসামি
- 📌 গ্রেপ্তারকৃত আওয়ামী লীগের নেতা মো. নুরনবী মন্ডলকে (৪০) বিলচান্দক গ্রামের বাসিন্দা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে
- 📌 গ্রেপ্তারকৃত তিনজন আসামির বিরুদ্ধে অর্থঋণ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল
- 📌 নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবনের অভিযোগে খুলনা জেলার দৌলতপুর থানার বাসিন্দা সুশান্ত কুমার দে (৪৩) গ্রেপ্তার করা হয়
- 📌 গ্রেপ্তারকৃত পাঁচজনকে পাবনার বিজ্ঞ আদালতে হস্তান্তর করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
গত ৩ নভেম্বর রাতে এসআই জাহিদুর রহমান বাদল মাহমুদ সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে ফরিদপুর থানার মামলা নং-৪ (৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ) তদন্তে সন্দেহভাজন আসামি মো. নুরনবী মন্ডলকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বিলচান্দক গ্রামের মো. শাহাদত মন্ডলের ছেলে। পুলিশের তথ্যমতে, নুরনবী মন্ডলকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পুংগলী ইউনিয়নের সক্রিয় সদস্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
বুধবার এসআই মো. ওয়াজেদ আলী, এএসআই নির্মল মুর্মু ও এএসআই মো. আখলাকুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ পৃথক অভিযান পরিচালনা করে অর্থঋণ আদালত আইনের ৩৪(১) ধারায় জারিকৃত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আসামি তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে রয়েছে মো. রাকিবুল ইসলাম (পিতা: মৃত সৈয়দ আলী প্রামাণিক), মো. আবু তালেব (পিতা: মৃত হারান প্রামাণিক) এবং মো. শাখাওয়াত হোসেন (পিতা: আফসার প্রামাণিক)। তাদের বিরুদ্ধে পৃথক সিআর অর্থজারি মামলা রয়েছে।
এছাড়াও, একই দিন এসআই মো. আশরাফুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনাকালে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করে মাতলামি করার অভিযোগে সুশান্ত কুমার দে (৪৩) নামে আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি খুলনা জেলার দৌলতপুর থানার কুলিবাগান এলাকার শ্রী শিবু পদ দের ছেলে। বর্তমানে তিনি পাবনার বেড়া থানার সিএনবি এলাকায় বাবু নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
"গ্রেপ্তারকৃত পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে পুলিশি প্রহরায় তাদের বিজ্ঞ আদালত, পাবনায় পাঠানো হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফরিদপুর থানা, পাবনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওসি মনজুরুল হাসান মাসুদ, মো. নুরনবী মন্ডল, মো. রাকিবুল ইসলাম, মো. আবু তালেব, মো. শাখাওয়াত হোসেন, সুশান্ত কুমার দে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন গ্রেপ্তার, ৪০ বছর (মো. নুরনবী), ৪৩ বছর (সুশান্ত কুমার দে), ৩৪(১) ধারা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!