📌 ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি প্রাবোও সুবিয়ান্তো প্রধান সচিব লিস্টিও সিগিত প্রাবোওকে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের অভিযোগে পদচ্যুত করেছেন। দুই পুলিশ কর্মকর্তাও গ্রেফতার হয়েছেন। রাষ্ট্রপতির মুখপাত্র বলেছেন, এতে রাষ্ট্রদ্রোহের সম্ভাবনা রয়েছে
ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি প্রাবোও সুবিয়ান্তো প্রধান সচিব লিস্টিও সিগিত প্রাবোওকে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের অভিযোগে পদচ্যুত করেছেন। এই পদচ্যুতির পেছনে রয়েছে উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ফোন ট্যাপ করার অভিযোগ, যার মধ্যে রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রিসভা সদস্যদের নামও রয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, লিস্টিও সিগিত প্রাবোও এবং দুই পুলিশ কর্মকর্তা এই অপরাধে জড়িত ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি প্রাবোও সুবিয়ান্তো প্রধান সচিব লিস্টিও সিগিত প্রাবোওকে পদচ্যুত করেছেন।
- 📌 লিস্টিও সিগিত প্রাবোওকে ফোন ট্যাপ করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়, যার মধ্যে রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রিসভা সদস্যদের ফোনও ছিল।
- 📌 দুই পুলিশ কর্মকর্তা — আহ্রি সোনতা নাসুতিওন (জাতীয় পুলিশের আইনি বিভাগের প্রধান) ও অন্য একজন —ও গ্রেফতার হন।
- 📌 রাষ্ট্রপতির মুখপাত্র প্রাসেত্যো হাদি বলেন, এই কাজটি ‘রাষ্ট্রদ্রোহের দিকে পরিচালিত’ হতে পারে এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও নেতৃত্বের উপর হুমকি সৃষ্টি করেছে।
- 📌 অভিযোগ অনুযায়ী, ট্যাপ করা ফোনের রেকর্ড মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল।
- 📌 ইন্দোনেশিয়ার সেনাবাহিনী জাকার্তায় ২০ হাজার সৈনিক প্রেরণ করেছে, তবে এর সাথে গ্রেফতারির কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই বলে দাবি করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি প্রাবোও সুবিয়ান্তো শুক্রবার প্রধান সচিব লিস্টিও সিগিত প্রাবোওকে পদচ্যুত করেন। এই পদচ্যুতির পেছনে রয়েছে উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ফোন ট্যাপ করার অভিযোগ। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, লিস্টিও সিগিত প্রাবোও পাঁচ বছর জাতীয় পুলিশের প্রধান ছিলেন এবং এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির প্রধান সচিবের দায়িত্ব পালন করছিলেন। পুলিশের তথ্য মতে, তিনি এবং দুই পুলিশ কর্মকর্তা — আহ্রি সোনতা নাসুতিওন (জাতীয় পুলিশের আইনি বিভাগের প্রধান) ও অন্য একজন — ২০২৫ সাল থেকে এই বছর পর্যন্ত উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ফোন ট্যাপ করেছিলেন।
রাষ্ট্রপতির মুখপাত্র প্রাসেত্যো হাদি বলেন, “এটি অবশ্যই কিছু অপরাধী ব্যক্তির দ্বারা করা হয়েছিল এবং আমরা মনে করি, এটি রাষ্ট্রদ্রোহের দিকে পরিচালিত হতে পারে। এটি রাষ্ট্রের স্বার্থ এবং রাষ্ট্রের নেতৃত্বের নিরাপত্তাকে হুমকি দেয়, যার মধ্যে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা এবং নেতৃত্বের নিরাপত্তাকে হুমকি দেয়।”
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই অপরাধের জন্য কোনো আইনি ভিত্তি বা তদন্তের প্রক্রিয়া ছিল না। পুলিশের সর্বোচ্চ তদন্তকারী এসেপ সাফরুদিন বলেন, “এই কাজটি কোনো আইনি ভিত্তি বা তদন্তের প্রক্রিয়ার অনুযায়ী করা হয়নি।”
অভিযোগ অনুযায়ী, ট্যাপ করা ফোনের রেকর্ড মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে এই কাজের পেছনে কোনো স্পষ্ট উদ্দেশ্য বা কারণ এখনও জানা যায়নি। ইন্দোনেশিয়ার আইন বিষয়ক মন্ত্রী ইউসরিল ইহজা মহেন্দ্রা বলেছেন, “এখনও পর্যন্ত এই কাজের উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।”
সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল মুহাম্মদ নাস বলেন, জাকার্তায় ২০ হাজার সৈনিক প্রেরণ করা হয়েছে। তবে তিনি বলেন, এটি একটি সাধারণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং কোনো বিশেষ ঘটনার সাথে সম্পর্কিত নয়। তিনি বলেন, “সৈনিক প্রেরণ একটি স্বাভাবিক ঘটনা। সেনাবাহিনী সর্বদা দেশের নিরাপত্তা এবং ইন্দোনেশিয়ার একত্ব রক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।”
"এটি অবশ্যই কিছু অপরাধী ব্যক্তির দ্বারা করা হয়েছিল এবং আমরা মনে করি, এটি রাষ্ট্রদ্রোহের দিকে পরিচালিত হতে পারে। এটি রাষ্ট্রের স্বার্থ এবং রাষ্ট্রের নেতৃত্বের নিরাপত্তাকে হুমকি দেয়, যার মধ্যে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইন্দোনেশিয়া (জাকার্তা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি প্রাবোও সুবিয়ান্তো, লিস্টিও সিগিত প্রাবোও, আহ্রি সোনতা নাসুতিওন, প্রাসেত্যো হাদি, মেজর জেনারেল মুহাম্মদ নাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০,০০০ সৈনিক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!