📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাঙ্গামাটির সাজেক হত্যাকাণ্ড মামলায় বাবা-ছেলে-ভাতিজার মৃত্যুদণ্ড: আদালতের রায়ে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড

রাঙ্গামাটির সাজেক হত্যাকাণ্ড মামলায় বাবা-ছেলে-ভাতিজার মৃত্যুদণ্ড: আদালতের রায়ে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে ২০১৭ সালে বাবা শান্তি লাল চাকমার হত্যাকাণ্ড মামলায় তার ছেলে ও ভাতিজাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। মামলায় ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও আসামিদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে রায় ঘোষণা করা হয়।

রাঙ্গামাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালত মঙ্গলবার দুপুরে রাঙ্গামাটির সাজেক হত্যাকাণ্ড মামলায় নৃশংস হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর সাজা ঘোষণা করে। বিচারক মোহাম্মদ আহসান তারেকের রায়ে নিহত শান্তি লাল চাকমার ছেলে সোহেল চাকমা ও ভাতিজা আলোময় চাকমাকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০১৭ সালের ৬ আগস্ট রাতে সাজেকের ভাইবোনছড়া এলাকায় শান্তি লাল চাকমাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ধরে তার গলা কেটে হত্যা করা হয় এবং মরদেহ গঙ্গারাম নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
  • 📌 ৮ দিন পর বাঘাইছড়ির কাচালং নদী থেকে শান্তি লাল চাকমার গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
  • 📌 ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও আসামিদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে রায় ঘোষণা করা হয়।
  • 📌 সোহেল চাকমাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে, কিন্তু ভাতিজা আলোময় চাকমা পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
  • 📌 আদালত রায়ে বলেছে, এ ধরনের নির্মম হত্যাকাণ্ড মানবসভ্যতার জন্য হুমকিস্বরূপ।

📰 বিস্তারিত

২০১৭ সালের ৬ আগস্ট রাতে সাজেক থানার ভাইবোনছড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে রাতের খাবার শেষে ছিলেন শান্তি লাল চাকমা। ওই রাতে তাকে ঘর থেকে ডেকে বের করে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ধরেন আসামিরা। পরে ধারালো দা দিয়ে গলা কেটে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর আসামিরা মরদেহ গঙ্গারাম নদীতে ফেলে দেন। ঘটনার আট দিন পর বাঘাইছড়ির কাচালং নদী থেকে শান্তি লাল চাকমার গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ায় মামলায় ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়। এ ছাড়া মামলার আসামি নিহতের ছেলে সোহেল চাকমা ও ভাতিজা আলোময় চাকমা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মঙ্গলবার রায়ে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় দুই আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

উপস্থিত আসামি সোহেল চাকমাকে সাজা পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামি আলোময় চাকমা পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। রায়ে আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, এ ধরনের নির্মম ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড সমাজে বিরল এবং মানবসভ্যতার জন্য হুমকিস্বরূপ।

"নিহত শান্তি লাল চাকমার ছেলে সোহেল চাকমা হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত নন। পারিবারিক বিরোধের কারণে তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে"

— অ্যাডভোকেট রাশেদ ইকবাল, আসামিপক্ষের আইনজীবী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাঙ্গামাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালত, সাজেকের ভাইবোনছড়া এলাকা, বাঘাইছড়ি উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারক মোহাম্মদ আহসান তারেক, সোহেল চাকমা, আলোময় চাকমা, অ্যাডভোকেট রাশেদ ইকবাল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ আগস্ট ২০১৭, ১৭ জন সাক্ষী, ৩০২ ধারা, ৫০ হাজার টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖