📌 নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় হাইকোর্টের খালাসের আদেশে গাজীপুরের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন ৮ জন আসামি। তাদের মধ্যে একজন মা-মেয়ের দম্পতি। মুক্তিপ্রাপ্তরা ফেনীর উদ্দেশে রওনা হন
গাজীপুরের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ফেনীর উদ্দেশে রওনা হন ৮ জন নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার আসামি। হাইকোর্টের খালাসের আদেশের পর মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে তাদের কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। এই ঘটনায় মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে একজন মা-মেয়ের দম্পতি রয়েছে যাদের ফিরে পাওয়ার খবর পরিবারকে আনন্দিত করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাইকোর্টের আদেশে গাজীপুরের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন ৮ জন নুসরাত হত্যা মামলার আসামি
- 📌 মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছে: মো. শামীম, হাফেজ আব্দুল কাদের, মহিউদ্দিন শাকিল, আফসার উদ্দিন, ইমরান হোসেন মামুন, ইফতেখার উদ্দিন রানা, আব্দুর রহিম শরীফ ও কামরুন্নাহার মনি
- 📌 মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে একজন মা-মেয়ের দম্পতি: কামরুন্নাহার মনি ও তার সাত বছর বয়সী মেয়ে মোবাশ্বেরা খানম রাথী
- 📌 মুক্তিপ্রাপ্তদের স্বজনরা কারাগারের সামনে দীর্ঘ অপেক্ষা করে তাদের ফিরে পাওয়ার আনন্দে আবেগাপ্লুত হন
- 📌 মুক্তিপ্রাপ্ত ইফতেখার উদ্দিন রানার মা মিথ্যা মামলায় ছেলেকে ফাঁসানোর অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন
- 📌 ১৬ আসামির মধ্যে ১০ জনকে খালাস দেওয়া হয়, চারজনের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে পরিণত করা হয়
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার ও মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন ৮ জন নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার আসামি। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে কারাগারের জেল সুপার মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। কারাগারের কর্মকর্তারা জানান, হাইকোর্টের খালাসের আদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে একজন মা-মেয়ের দম্পতি রয়েছে। কামরুন্নাহার মনি ও তার সাত বছর বয়সী মেয়ে মোবাশ্বেরা খানম রাথী কারাগার থেকে বের হয়ে পরিবারের সাথে মিলিত হন। মুক্তিপ্রাপ্তদের স্বজনরা কারাগারের মূল ফটকের সামনে দীর্ঘ অপেক্ষা করে তাদের ফিরে পাওয়ার আনন্দে আবেগাপ্লুত হন। মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে একজন ইফতেখার উদ্দিন রানার মা হাজেরা বেগম বলেন, তাঁর ছেলেকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল। তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী, নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামির মধ্যে ১০ জনকে খালাস দেওয়া হয়। চারজনের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে পরিণত করা হয়। আর অপর দুই আসামি সিরাজ উদদৌলা ও শাহাদাত হোসেন শামীমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে।
"আমার ছেলেকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল। ছেলেকে ফিরে পেয়ে আমি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার ও মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. জাকির হোসেন (জেল সুপার), হাজেরা বেগম (ইফতেখার উদ্দিন রানার মা), কামরুন্নাহার মনি ও মোবাশ্বেরা খানম রাথী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ জন মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি, ১৬ আসামির মধ্যে ১০ জন খালাস, ৪ জন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!