📌 চব্বিশের আন্দোলনের সময় পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনীর কাছ থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে র্যাব সারা দেশে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। সুন্দরবনের ৫৯ জন বনদস্যুর আত্মসমর্পণ ও অস্ত্র উদ্ধারের প্রেক্ষিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাব মহাপরিচালক
চব্বিশের আন্দোলনের সময় পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনীর কাছ থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে সারা দেশে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। র্যাবের মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই সংস্থাটিকে এ অভিযানের বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে র্যাব-৬ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চব্বিশের আন্দোলনের সময় লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে র্যাবের বিশেষ অভিযান শুরু
- 📌 সুন্দরবনের ৫৯ জন বনদস্যুর আত্মসমর্পণ ও অস্ত্র উদ্ধার
- 📌 র্যাব মহাপরিচালক জানান, পুনর্বাসনের ব্যবস্থা আরও কার্যকর করা হচ্ছে
- 📌 সুন্দরবনে সক্রিয় চার থেকে পাঁচটি দস্যু বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণে আনতে অভিযান চলমান
📰 বিস্তারিত
র্যাব মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ জানান, চব্বিশের আন্দোলনের সময় বিভিন্ন বাহিনীর কাছ থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে দেশব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে র্যাব। ইতিমধ্যেই সংস্থাটিকে এ অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য প্রদানকারীদের পুরস্কার প্রদান করা হবে এবং তাদের নাম-পরিচয় গোপন রাখা হবে।
সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে র্যাব। উদ্ধার করা হয়েছে ৫৯টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৪১ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৪টি খালি কার্তুজ ও সাতটি ওয়াকিটকি। এর মধ্যে রয়েছে চারটি শটগান, ৪৭টি ওয়ান শুটার গান, চারটি পাইপগান, তিনটি এয়ারগান এবং একটি পয়েন্ট ২২ বোর রাইফেল।
র্যাব মহাপরিচালক জানান, সুন্দরবনের জলদস্যু ও বনদস্যু দমনে র্যাব, কোস্ট গার্ড, স্থানীয় প্রশাসন, নৌপুলিশ ও বন বিভাগের সমন্বয়ে ‘অপারেশন রি-স্টার্ট, পিস ইন সুন্দরবন’ নামে বিশেষ অভিযান চলছে। গত ২ মার্চ থেকে ধারাবাহিকভাবে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনে বর্তমানে চার থেকে পাঁচটি দস্যু বাহিনী সক্রিয় রয়েছে এবং তাদের অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে কাজ চলছে।
"আত্মসমর্পণ করা সুন্দরবনের দস্যুরা আবার সেই জীবনে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলেছেন। ২০১৬ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত আত্মসমর্পণকারী ৩২৮ জন দস্যুর মধ্যে ৩০ জন পুনরায় অস্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেছেন। সামাজিক-রাজনৈতিক কারণ ও হয়রানি হওয়ার ভয় ইত্যাদি কারণে তাঁরা অপরাধ কর্মকাণ্ডে ফিরে যান। তবে সার্বিকভাবে র্যাবের সাফল্য উল্লেখযোগ্য। যাঁরা আত্মসমর্পণ করেছেন বা করবেন, তাঁদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে গতবার যে আর্থিক ব্যবস্থা ছিল, তার থেকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সঙ্গে কথা বলেছি। যাঁরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন, তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুন্দরবন, খুলনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আহসান হাবীব পলাশ (র্যাব মহাপরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৯ জন বনদস্যু, ৫৯টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৪১ রাউন্ড গুলি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!