📌 সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা গোপনে সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করছেন বলে ইসরায়েলি নিরাপত্তা সূত্রের দাবি। ইসরায়েলের উদ্বেগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে লেবাননে হিজবুল্লাহ ও ইরাকের শিয়া মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা গোপনে সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন বলে ইসরায়েলি নিরাপত্তা মহল উদ্বিগ্ন। জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শারা কর থেকে রাজস্বসহ বিভিন্ন উৎসের অর্থ ব্যবহার করে স্থায়ী সেনাবাহিনী গঠন ও নতুন অস্ত্র ব্যবস্থা সংগ্রহে ব্যয় করছেন। ইসরায়েলি নিরাপত্তা সূত্রের মূল্যায়নে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ১৫ বছরের যুদ্ধের পর সিরিয়ার অবকাঠামো পুনর্গঠনের পরিবর্তে সামরিক শক্তি বৃদ্ধির দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা গোপনে সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন বলে ইসরায়েলি নিরাপত্তা সূত্রের দাবি
- 📌 ইসরায়েলি গোয়েন্দা সূত্রের মতে, শারা লেবাননে হিজবুল্লাহ ও ইরাকের শিয়া মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে
- 📌 মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কমে যাওয়াকে বিবেচনা করে শারা সেনাবাহিনী পুনর্গঠন করছেন বলে ধারণা
- 📌 ইউরোপীয় দেশগুলো সিরিয়ায় অর্থনৈতিক সহায়তা দিচ্ছে শরণার্থী প্রবাহ কমাতে এবং তাদের দেশে ফেরার পরিবেশ তৈরি করতে
- 📌 সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আরব দেশগুলো শারাকে নিজেদের ঘনিষ্ঠ করার চেষ্টা করছে
- 📌 ইসরায়েলের মতে, শারা সিরিয়াকে আঞ্চলিক শক্তিতে পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ করছেন
- 📌 ইসরায়েলের দাবি, শারার সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ বৃদ্ধি করা হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
সিরিয়ার সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে ইসরায়েলি নিরাপত্তা সূত্রের উদ্বেগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, শারা দীর্ঘ ১৫ বছরের যুদ্ধের পর অবকাঠামো পুনর্গঠনের পরিবর্তে সামরিক শক্তি বৃদ্ধির দিকে মনোনিবেশ করছেন। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) মূল্যায়নে বলা হয়েছে, শারার সামরিক পরিকল্পনার লক্ষ্য হতে পারে লেবাননে হিজবুল্লাহ এবং ইরাকের ইরানপন্থি শিয়া মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলেছেন, শারা উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষায় রয়েছেন এবং সেনাবাহিনী পুনর্গঠনের অগ্রগতি বিবেচনা করছেন।
সিরিয়া সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ইউরোপীয় দেশগুলোও সহায়তা করছে। জার্মানির নেতৃত্বে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ শারা সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করছে। এর উদ্দেশ্য হিসেবে সিরিয়া থেকে শরণার্থীদের প্রবাহ কমানো এবং তাদের ভবিষ্যতে দেশে ফেরার পরিবেশ তৈরি করার কথা বলা হচ্ছে। ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মতে, সিরিয়ার পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়ে গেলে ইউরোপীয় সরকারগুলোর জন্য শরণার্থীদের দেশে ফেরানোর পক্ষে অবস্থান নেওয়া সহজ হবে।
সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আরব দেশগুলোও শারাকে নিজেদের ঘনিষ্ঠ করার চেষ্টা করছে। এসব দেশ সিরিয়ায় অর্থ বিনিয়োগ করছে এবং শারাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা ও সম্মান দেখাচ্ছে। ইসরায়েলি নিরাপত্তা সূত্রের দাবি, এর উদ্দেশ্য হলো শারার নীতিতে পরিবর্তন আনা এবং তাকে উগ্রপন্থি গোষ্ঠীগুলো থেকে দূরে রাখা। তবে তুরস্কের সঙ্গে সিরিয়ার সম্পর্কে জটিলতা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। শারা তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের হাতে সহজে সিরিয়ার ভূখণ্ড বা সামরিক ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ তুলে দিতে চাইবেন না বলে ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্মকর্তারা দাবি করেছেন।
"সিরিয়ার সামরিক বাহিনী এখনো উচ্চমাত্রার সামরিক প্রস্তুতিতে নেই, তবে তারা ব্রিগেড পর্যায়ে কয়েকটি মহড়া চালিয়েছে। শারার লক্ষ্য হলো সিরিয়াকে আঞ্চলিক শক্তিতে পরিণত করা, যা বিভিন্ন দিকেই প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হবে। ভবিষ্যতে তিনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধেও সামরিক শক্তি প্রয়োগ করতে পারেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরিয়া, লেবানন, ইরাক, ইসরায়েল, ইউরোপ, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আহমেদ আল-শারা (সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট), রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান (তুরস্কের প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর (দীর্ঘ যুদ্ধের সময়কাল), ১৮ সেপ্টেম্বর (প্রতিবেদনের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!