📅 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৯৪ লাখ টাকা প্রতারণায় আটক দু’জন: টেলিগ্রামে ভুয়া চাকরি প্রলোভন থেকে আত্মসাত

৯৪ লাখ টাকা প্রতারণায় আটক দু’জন: টেলিগ্রামে ভুয়া চাকরি প্রলোভন থেকে আত্মসাত

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টেলিগ্রাম অ্যাপে ভুয়া জুয়েলারি চাকরির প্রলোভনে ৯৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পুলিশের সিআইডি দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। কিশোরগঞ্জ ও করিমগঞ্জের দু’জনকে রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে

টেলিগ্রাম অ্যাপে ভুয়া চাকরির প্রলোভনে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) কিশোরগঞ্জ ও করিমগঞ্জের দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনায় বাদী পল্টন থানায় মামলা করার পর সিআইডি তদন্ত করে প্রতারক চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা আত্মসাত — টেলিগ্রামে ভুয়া জুয়েলারি চাকরির প্রলোভনে বাদীকে প্রতারিত করা হয়
  • 📌 দু’জন আটক — কিশোরগঞ্জের জুলহাস উদ্দিন (৩৯) ও করিমগঞ্জের প্রহর (২৮) গ্রেপ্তার
  • 📌 ১২ জনের চক্র — এই ঘটনায় আগে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, এবার দু’জনকে আটক করা হয়
  • 📌 রিমান্ডে পাঠানো — দু’জনকে রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে হাজির করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ জানান, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় কিশোরগঞ্জ সদর থানায় অভিযান চালিয়ে জুলহাস উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে করিমগঞ্জের প্রহরকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৪ আগস্ট টেলিগ্রাম অ্যাপের একটি আইডি থেকে বাদী মেহেদি হক নিয়নকে ‘Zales’ জুয়েলারি নামের একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হয়। বাদী আগ্রহ প্রকাশ করলে প্রতারক চক্রটি ফিশিং লিংক দিয়ে তাকে ভুয়া ওয়েবসাইটে যুক্ত করে।

প্রতারকরা প্রথমে বাদীকে অনলাইনে অর্ডার সম্পন্ন করে কমিশন দেওয়ার প্রলোভন দিয়েছিল। পরে অধিক মুনাফার আশায় বাদীকে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করা হয়। প্রতারকরা বাদীকে ধাপে ধাপে ৯০টি অর্ডার সম্পন্ন করতে বলে। প্রতিটি অর্ডার সম্পন্ন করার পর তাঁর অ্যাকাউন্টে মুনাফা দেখানো হত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টাকা উত্তোলনের জন্য আরও টাকা জমা দিতে বলা হয়। বাদী প্রতারকদের বিশ্বাস করে একাধিক ব্যাংক থেকে মোট ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা পাঠান।

সিআইডির তদন্তে বাদী পল্টন থানায় করা মামলার তদন্তভার নেওয়ার পর গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতারক চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করা হয়। এই ঘটনায় আগে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সর্বশেষ অভিযানে দু’জনকে আটক করে রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।

"২০২৫ সালের ২৪ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এই প্রতারণায় বাদীকে ধাপে ধাপে আত্মসাত করা হয়েছিল। প্রতারকরা ফিশিং লিংক দিয়ে ভুয়া ওয়েবসাইটে যুক্ত করে টাকা আত্মসাত করেছিল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কিশোরগঞ্জ সদর থানা, করিমগঞ্জ থানা, পল্টন থানা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেহেদি হক নিয়ন (বাদী), জুলহাস উদ্দিন (৩৯), প্রহর (২৮), মো. ছুফি উল্লাহ (সিআইডি সুপার)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা, ৩৯ বছর (জুলহাস), ২৮ বছর (প্রহর), ৯০টি অর্ডার, ১২ জন (আগে আটক)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖