📅 ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পুলিশের বেআইনি চাপে কাঁদতে থাকা নারীদের মুখ দেখানোর বাধ্য করা: অভিযানের ভিডিওতে প্রকাশিত নির্যাতনের অভিযোগ

পুলিশের বেআইনি চাপে কাঁদতে থাকা নারীদের মুখ দেখানোর বাধ্য করা: অভিযানের ভিডিওতে প্রকাশিত নির্যাতনের অভিযোগ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজধানীর নিউ রংধনু আবাসিক হোটেলে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে আটক নারীদের মুখ ঢাকতে বাধা দেওয়ার জন্য পুলিশের সদস্যরা তাদের জোর করে মুখ দেখাতে বাধ্য করছিলেন। ভিডিওতে দেখা যায়, একজন নারী কাঁদতে থাকা অবস্থায় ‘মুখ ঢাকবি না, মাইর হবে’ বলে নারীদের চাপ দেওয়া হচ্ছিল। মানবাধিকার কর্মীরা এটিকে বেআইনি ও নাগরিক অধিকার লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছেন

রাজধানীর একটি আবাসিক হোটেলে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অভিযানের সময় আটক নারীদের মুখ ঢাকতে বাধা দেওয়ার জন্য পুলিশ সদস্যরা তাদের জোর করে মুখ দেখাতে বাধ্য করছিলেন। গত ১২ আগস্টের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশের দুজন নারী সদস্য আটক নারীদের জোর করে ধরে মুখ দেখাতে বাধ্য করছিলেন। এ সময় একজন নারী কাঁদতে থাকা অবস্থায় তাদের উদ্দেশে বলা হচ্ছিল, ‘মুখ ঢাকবি না, মাইর হবে’। এই ঘটনায় মানবাধিকার কর্মীরা পুলিশের এ আচরণকে বেআইনি ও নাগরিক অধিকার লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১২ আগস্ট রাজধানীর নিউ রংধনু আবাসিক হোটেলে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে আটক নারীদের মুখ ঢাকতে বাধা দেওয়ার জন্য পুলিশ সদস্যরা তাদের জোর করে মুখ দেখাতে বাধ্য করছিলেন।
  • 📌 ভিডিওতে একজন নারী কাঁদতে থাকা অবস্থায় পুলিশ সদস্যরা ‘মুখ ঢাকবি না, মাইর হবে’ বলে তাদের চাপ দিচ্ছিলেন।
  • 📌 অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইলিয়াস কবির। পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, তিনি আটক নারীদের মুখ ঢাকতে বাধা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
  • 📌 ইলিয়াস কবির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের কোনো সদস্য তাঁদের মুখ দেখাতে বাধ্য করেননি’।
  • 📌 ইউটিউবার ও কিছু সংবাদমাধ্যম অভিযানের ভিডিও প্রচার করে ‘ভিউ’ অর্জন করছে। পুলিশ কর্মকর্তারা অভিযানের আগে ইউটিউবারদের ডেকে নেন।
  • 📌 মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সদস্য নূর খান বলেছেন, পুলিশের এ আচরণ বেআইনি এবং নাগরিকের অধিকারের লঙ্ঘন।
  • 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইফুল আলম চৌধুরী বলেছেন, পুলিশের অভিযানে ইউটিউবার বা সাংবাদিকদের নিয়ে যাওয়া উচিত নয়।

📰 বিস্তারিত

রাজধানীর আবদুল্লাহপুর এলাকার নিউ রংধনু আবাসিক হোটেলে গত ১২ আগস্ট গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। অভিযানে আটক নারীদের মুখ ঢাকতে বাধা দেওয়ার জন্য পুলিশ সদস্যরা তাদের জোর করে মুখ দেখাতে বাধ্য করছিলেন। ভিডিওতে দেখা যায়, একজন নারী কাঁদতে থাকা অবস্থায় পুলিশ সদস্যরা ‘মুখ ঢাকবি না, মাইর হবে’ বলে তাদের চাপ দিচ্ছিলেন। এই ভিডিওটি গত ১২ আগস্টের।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইলিয়াস কবির। পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, তিনি আটক নারীদের মুখ ঢাকতে বাধা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। একটি ভিডিওতে তাঁকে মাস্ক পরা অবস্থায় এ কথা বলতে শোনা যায়। অবশ্য ইলিয়াস কবির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘মাস্ক পরে মুখ ঢেকে থাকা ব্যক্তিদের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য সেটি সরাতে বলা হতে পারে। তবে আমাদের কোনো সদস্য তাঁদের মুখ দেখাতে বাধ্য করেননি’।

মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সদস্য নূর খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘কোনো নারী কোনো অপরাধ করলে তাঁর বিচার হবে এবং আদালত তথ্যপ্রমাণ সাপেক্ষে শাস্তি দেবেন; কিন্তু পুলিশ বিচারের আগেই একধরনের শাস্তির আয়োজন করছে, যা বেআইনি’। তিনি বলেন, পুলিশের এ আচরণ নাগরিকের অধিকার লঙ্ঘন।

অভিযানের ভিডিও ইউটিউবার ও কিছু সংবাদমাধ্যম প্রচার করছে। পুলিশ ও ইউটিউবার সূত্র জানিয়েছে, অভিযানের আগে ইউটিউবারদের ডেকে নেন কিছু পুলিশ কর্মকর্তা। ইউটিউবাররা এবং কিছু সংবাদমাধ্যম এসব ভিডিও প্রচার করে ‘ভিউ’ অর্জন করে। সেখান থেকে আয়ও হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইফুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘আবাসিক হোটেল, পানশালা ইত্যাদি স্থাপনায় অভিযান হয় মূলত বোঝাপড়া ও লেনদেনের ক্ষেত্রে ঝামেলা হলে। এসব অভিযানে ইউটিউবার ও সাংবাদিকদের নিয়ে যাওয়া ঠিক নয়’। তিনি বলেন, পুলিশের অভিযানের পরে সংবাদ সম্মেলন করতে পারে। সেসব সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বাইরে ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’দের আমন্ত্রণ জানানো ঠিক নয়।

"মুখ ঢাকবি না, মাইর হবে" — ভিডিওতে পুলিশ সদস্যরা আটক নারীদের উদ্দেশে বলেছেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নিউ রংধনু আবাসিক হোটেল, আবদুল্লাহপুর, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইলিয়াস কবির (উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার), নূর খান (মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সদস্য), সাইফুল আলম চৌধুরী (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ (আগস্ট), ২ (সেপ্টেম্বর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖