📌 নাটোরের গুরুদাসপুরে নিহত ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলামের পরিবার নিরাপত্তা সংকটে পড়েছেন। প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন। শাকিলের ভাবি সুমি খাতুন জানান, সন্ত্রাসীরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও পরিবারের উপর হামলা চালিয়েছিল। শাকিলের মৃত্যুর পেছনে তদন্ত চলছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের হাতে
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় নিহত ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলামের পরিবার নিরাপত্তা সংকটে পড়েছেন। প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশকে নির্দেশনা দিয়েছেন। শাকিলের মৃত্যুর পর পরিবারের সদস্যরা সন্ত্রাসী হামলার ভয়াবহ ঘটনা বর্ণনা করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শাকিল ইসলামের (৩২) পরিবার নিরাপত্তা সংকটে পড়েছেন, সন্ত্রাসীরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও পরিবারের উপর হামলা চালিয়েছিল
- 📌 প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল গুরুদাসপুরে শাকিলের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন
- 📌 পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) শাকিল হত্যা মামলার তদন্ত করছে, নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
- 📌 গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নানকে তদন্তে অবহেলার অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে
- 📌 ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব শাকিলের পরিবারকে আশ্বস্ত করেন, হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে দল সবসময় পাশে থাকবে
📰 বিস্তারিত
শাকিল ইসলামের পরিবার নিরাপত্তা সংকটে পড়েছেন। প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে গুরুদাসপুর পৌরসভার খামারনাচকৈড় মহল্লায় শাকিলের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করেন। সেখানে শাকিলের ভাবি সুমি খাতুন জানান, শাকিল যখন মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন, তখনও গভীর রাতে সন্ত্রাসীরা তাদের বাড়ির পাশে এসে টিনে ধাক্কা মারত এবং হাঁটাহাঁটি করত। এভাবে পরিবারের উপর ভয় দেখানো হতো। সুমি খাতুন বলেন, তাঁর স্বামী বিদেশে থাকায় বাড়িতে শুধু শ্বশুরই পুরুষ সদস্য। এখন পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় আছেন।
প্রতিমন্ত্রী পুতুল সুমি খাতুনের কথা শুনে সঙ্গে সঙ্গে গুরুদাসপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রিয়াজুল হাসানকে নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, এই মহল্লায় পুলিশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দরকার। বিশেষ করে পুলিশের গাড়ি সব সময় টহল দিতে হবে। পুতুল বলেন, শাকিল ছিলেন ছাত্রদলের একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা। তাঁর হত্যাকাণ্ড মেনে নেওয়া যায় না। তিনি শাকিলের পরিবারের পাশে থাকবেন, বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত।
পুতুল বেরিয়ে যাওয়ার পর ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব শাকিলের বাবা রবিউল করি, মা শাহানা বেগম, স্ত্রী হাফসা খাতুন ও ভাবি সুমি খাতুনের সাথে কথা বলেন। তিনি বলেন, ছাত্রদল শাকিলের হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে সবসময় পাশে থাকবে। শাকিলের মৃত্যু ঘটে ২৬ অক্টোবর রাতে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায়। তিনি ১৪ অক্টোবর রাতে গুরুদাসপুরে হামলায় গুরুতর আহত হন।
"শাকিল দলের জন্য একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা ছিলেন। তাঁর এমন হত্যাকাণ্ড মেনে নেওয়া যায় না।" — প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুরুদাসপুর উপজেলা, নাটোর; ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাকিল ইসলাম (৩২), সুমি খাতুন, ফারজানা শারমিন পুতুল, রাকিবুল ইসলাম রাকিব, রবিউল করি, শাহানা বেগম, হাফসা খাতুন, রিয়াজুল হাসান, আব্দুল আজিজের ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টু, আব্দুল হান্নান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২ (শাকিলের বয়স), ১৪ অক্টোবর (হামলার তারিখ), ২৬ অক্টোবর (মৃত্যুর তারিখ), ৪ (নাটোর-৪ আসন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!