📌 নেত্রকোনা সদর উপজেলার এনসিপি নেত্রী সাদিয়া ইসলাম (২৩) ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে পাঁচজনের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।
নেত্রকোনায় ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেত্রী সাদিয়া ইসলাম (২৩) কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকালে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহ পরানের আদালতে তাকে তোলা হলে জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। স্থানীয়রা মঙ্গলবার বিকালে তাকে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাদিয়া ইসলাম (২৩) — নেত্রকোনা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক — ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে পাঁচজনের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
- 📌 প্রিয়া আক্তার (২৬) মামলা করে বলেছেন, সাদিয়া ইসলামের সাথে পাঁচজনের মধ্যে প্রতারণা হয়েছিল। তিনি বলেন, সাদিয়া ইসলাম আমিসহ পাঁচজনের কাছ থেকে তিন হাজার টাকা করে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।
- 📌 সদর উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক তাজ উদ্দিন ফারাস সেন্টু জানান, ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেই। এ ধরনের কার্ড দেওয়ার কথা বলে টাকা চাইলে তাকে পুলিশে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
- 📌 নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি আবুল খায়ের জানান, সাদিয়া ইসলামের বিরুদ্ধে পাঁচজনের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সাদিয়া ইসলাম টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
- 📌 সাদিয়া ইসলামের মা সাইফুল ইসলাম জানান, তার মেয়ে নেত্রকোনা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী এবং জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার বিকালে নেত্রকোনা সদর উপজেলার বলাইনগুয়া মীরবাড়ি রোড এলাকার একটি বাসায় সাদিয়া ইসলামকে আটক করে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে সকালে প্রিয়া আক্তার তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা করেন। প্রিয়া আক্তার বলেন, সাদিয়া ইসলামের সাথে তার সহ পাঁচজনের মধ্যে প্রতারণা হয়েছিল। তিনি বলেন, সাদিয়া ইসলাম আমিসহ পাঁচজনের কাছ থেকে তিন হাজার টাকা করে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, সাদিয়া ইসলামের কথায়, পরদিন ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে বলে তিনি আরও দুই হাজার টাকা দিতে রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করেন।
সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তাজ উদ্দিন ফারাস সেন্টু জানান, ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি বলেন, এ ধরনের কার্ড দেওয়ার কথা বলে কেউ টাকা চাইলে তাকে পুলিশে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এনসিপির জেলা কমিটির সদস্য সচিব ফাহিম রহমান খান পাঠান বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি মনে করেন, সাদিয়া ইসলাম চক্রান্তের শিকার হতে পারে। তবে টাকা নেওয়ার অভিযোগ যদি প্রমাণিত হয় তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
"আমাকে আরও দুই হাজার টাকা দিতে হবে বলে তিনি জানান, পর দিনই আমার ফ্যামিলি কার্ড হয়ে যাবে। এভাবে তিনি আরও কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা নিতে এলে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে। তিনি আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। আমরা না বুঝে তাকে টাকা দিয়েছি। এ জন্য বিচার চেয়ে মামলা করেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেত্রকোনা সদর উপজেলা, বলাইনগুয়া মীরবাড়ি রোড, তেঁতুলিয়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাদিয়া ইসলাম (২৩), প্রিয়া আক্তার (২৬), তাজ উদ্দিন ফারাস সেন্টু, ফাহিম রহমান খান পাঠান, ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহ পরান, ওসি আবুল খায়ের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ (সাদিয়া ইসলামের বয়স), ২৬ (প্রিয়া আক্তারের বয়স), ৯ (সেপ্টেম্বর), ৫৩ (পিএম), ৫ (পাঁচজন ভুক্তভোগী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!