📅 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নাটোরে ডাবের পানি মিশিয়ে লুটে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, অজ্ঞান পার্টির ২ সদস্য গ্রেপ্তার

নাটোরে ডাবের পানি মিশিয়ে লুটে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, অজ্ঞান পার্টির ২ সদস্য গ্রেপ্তার

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নাটোরের লালপুরে ডাবের পানি মিশিয়ে দুই ফল ব্যবসায়ীকে অচেতন করে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা লুটের অভিযোগে অজ্ঞান পার্টির দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ তাদের কাছ থেকে চেতনানাশক সামগ্রী উদ্ধার করেছে

নাটোরের লালপুরে ডাবের পানি মিশিয়ে দুজন ফল ব্যবসায়ীকে অচেতন করে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা লুটের অভিযোগে অজ্ঞান পার্টির দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ২৬ আগস্ট সকালে ঘটনাটি ঘটে, যেখানে দুজন ব্যবসায়ীকে চেতনানাশক মিশ্রিত পানি পান করিয়ে অচেতন করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার তাদেরকে নাটোর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নাটোরের লালপুরে ডাবের পানি মিশিয়ে দুই ফল ব্যবসায়ীকে অচেতন করে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা লুটের অভিযোগে অজ্ঞান পার্টির দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
  • 📌 গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. ইমরান খান (৩৭) ও মো. আব্দুল মুসা (৪২), যারা খুলনার বটিয়াঘাটা ও সোনাডাঙ্গা থানার এলাকায় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়
  • 📌 মামলার বাদী দুজন ফল ব্যবসায়ী: মো. রাসেল (২৬) ও মো. শামীম হোসেন (৩৫), যাদের দোকান থেকে টাকা লুট করা হয়
  • 📌 পুলিশ তাদের কাছ থেকে চেতনানাশক ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করেছে
  • 📌 লালপুর থানার উপপরিদর্শক মো. মনিরুল ইসলাম তদন্ত পরিচালনা করছেন

📰 বিস্তারিত

গত ২৬ আগস্ট সকাল ১১টায় নাটোরের গোপালপুর পৌরসভার ‘ভাই ভাই ফল ভান্ডার’ নামের ফল দোকানে দুজন ব্যবসায়ী দোকান পরিচালনা করছিলেন। এ সময় এক অজ্ঞাত ব্যক্তি ফল ব্যবসায়ী পরিচয়ে আসেন এবং পাইকারি ফল বিক্রির কথা বলে দোকানিদের সঙ্গে থাকা ডাব, তরমুজ ও অন্যান্য ফলের মান দেখান। ওই ব্যক্তি প্রথমে ফল কেটে দোকানিদের খেতে দেন এবং নিজেও খান। যখন ব্যবসায়ী ফল খেতে অপারগতা প্রকাশ করেন, তখন ওই ব্যক্তি ডাবের পানি পান করতে বলেন। পানি পান করার কিছুক্ষণের মধ্যেই দুজন ব্যবসায়ী অচেতন হয়ে পড়েন। অচেতন অবস্থায় দোকানের নগদ ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা নিয়ে ওই ব্যক্তি চলে যান। ঘটনার পর আশপাশের লোকজন তাদেরকে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করেন। চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর তারা সুস্থ হয়ে ঘটনার বিস্তারিত জানান এবং ঘটনার দিনই থানায় এজাহার দেন।

লালপুর থানার উপপরিদর্শক মো. মনিরুল ইসলাম মামলাটির তদন্তভার নিয়ে অজ্ঞাত আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এবং পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে মো. ইমরান খান (৩৭) ও মো. আব্দুল মুসা (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়। ইমরান খান নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার উদবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং খুলনার বটিয়াঘাটার হেতালবুনিয়া গ্রামে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকেন। আব্দুল মুসা খুলনার দাকোপ উপজেলার টিলভাঙ্গার বটবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং সোনাডাঙ্গার বানরগাতিয়ার এক বাড়িতে জামাই হিসেবে থাকেন।

লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম পলাশ বলেছেন, ‘অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা বিভিন্ন ছদ্মবেশে সাধারণ মানুষকে টার্গেট করছে। এ ধরনের অপরাধ দমনে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’ তিনি অপরিচিত ব্যক্তির দেওয়া খাবার গ্রহণে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

"অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা বিভিন্ন ছদ্মবেশে সাধারণ মানুষকে টার্গেট করছে। এ ধরনের অপরাধ দমনে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নাটোরের লালপুর, গোপালপুর পৌরসভা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ইমরান খান (৩৭), মো. আব্দুল মুসা (৪২), মো. রাসেল (২৬), মো. শামীম হোসেন (৩৫), মো. মনিরুল ইসলাম (লালপুর থানার উপপরিদর্শক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, ২৬ আগস্ট, ৩৭ বছর, ৪২ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖