📅 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চরফ্যাশন শিক্ষা কর্মকর্তা থেকে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি: প্রধান শিক্ষক মনির উদ্দিনের অভিযোগ

চরফ্যাশন শিক্ষা কর্মকর্তা থেকে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি: প্রধান শিক্ষক মনির উদ্দিনের অভিযোগ

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মচারী মো. ছাত্তারকে প্রধান শিক্ষক মনির উদ্দিন ঘুষ দাবির অভিযোগ করেছেন। ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার বকেয়া বিল পেতে ৪০ হাজার টাকা দাবি করা ও কাগজপত্র কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত কর্মচারী ঘুষ দাবি অস্বীকার করেছেন

চরফ্যাশন উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনির উদ্দিনের বিরুদ্ধে উপজেলা শিক্ষা অফিসের কর্মচারী মো. ছাত্তারের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে। ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার বকেয়া এরিয়া বিল পেতে ৪০ হাজার টাকা দাবি করা ও বিল-সংক্রান্ত কাগজপত্র কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন তিনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মচারী মো. ছাত্তারকে প্রধান শিক্ষক মনির উদ্দিন ঘুষ দাবির অভিযোগ করেছেন।
  • 📌 ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার বকেয়া বিল পেতে ৪০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে।
  • 📌 বিলের ফাইল ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন মনির উদ্দিন।
  • 📌 অভিযুক্ত কর্মচারী ঘুষ দাবি অস্বীকার করেছেন।
  • 📌 ১৩ বছর ধরে বকেয়া বিল আটকে আছে।

📰 বিস্তারিত

হাজিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনির উদ্দিনের প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার বকেয়া এরিয়া বিল দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে আটকে আছে। তিনি আগে লালমোহন উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। প্রায় তিন বছর আগে চরফ্যাশনে বদলি হয়ে আসার পর গত দুই বছর ধরে বিল পাওয়ার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করছেন তিনি।

মনির উদ্দিনের অভিযোগ, বিলের ফাইলের জট ছাড়ানো এবং উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার দোহাই দিয়ে আগে ১৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করা হলেও একটি প্রত্যয়নপত্রে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার স্বাক্ষর বাকি রাখা হয়। ওই স্বাক্ষর করিয়ে দেওয়ার কথা বলে উপজেলা শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. ছাত্তার তার কাছে ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন।

মনির উদ্দিন বলেন, তাকে বলা হয়েছিল ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার বকেয়া বিল পেতে হলে ৪০ হাজার টাকা দিতে হবে। এতে তিনি রাজি না হওয়ায় ছাত্তার তার ওপর চড়াও হয়ে বিল-সংক্রান্ত কাগজপত্র ও গুরুত্বপূর্ণ খাতা নিয়ে নেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার আশঙ্কায় আগে নেওয়া ১৫ হাজার টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

"দুই বছর ধরে বিলের জন্য ঘুরছি। প্রথমে ১৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। পরে আবার ৪০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমার কাগজপত্র নিয়ে নেওয়া হয়েছে। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই এবং আমার প্রাপ্য টাকা দ্রুত পরিশোধের দাবি জানাচ্ছি।"

অভিযুক্ত কর্মচারী মো. ছাত্তার ঘুষ দাবি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, শিক্ষককে বিল করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল এবং তার কাছে কোনো টাকা-পয়সা চাওয়া হয়নি।

চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, ওই শিক্ষকের বিল-সংক্রান্ত কাগজপত্রে তিনি ইতোমধ্যে স্বাক্ষর করেছেন। অফিস সহকারী ছাত্তারের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি বা নথিপত্র কেড়ে নেওয়ার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চরফ্যাশন উপজেলা, ভোলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান শিক্ষক মনির উদ্দিন, কর্মচারী মো. ছাত্তার, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ হাজার টাকা (ঘুষ দাবি), ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা (বকেয়া বিল), ১৩ বছর (বকেয়া আটকে আছে), ১৫ হাজার টাকা (আগে নেওয়া)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖