📌 মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। বাবা-মা দুঃখে ভেঙ্গে পড়েছেন
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী তরুণীকে দুর্বৃত্তরা ধর্ষণ করে হত্যা করেছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। বাবা-মা দুঃখে ভেঙ্গে পড়েছেন এবং ঘটনাটিকে ‘মানুষের কামের অপব্যবহার’ বলে অভিযোগ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৌলভীবাজার জুড়ী উপজেলায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে।
- 📌 ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে, পুলিশের দাবি: এক বা একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে।
- 📌 তরুণীর বাবা-মা দুঃখে ভেঙ্গে পড়েছেন। মায়ের বিলাপে বলেছেন: ‘আমার মেয়েটাকে কেউ ফুসলে ক্ষতি করছে মারছে’।
- 📌 ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মৌলভীবাজার জেলা সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
- 📌 এলাকায় এ ধরনের ঘটনা আগে ঘটেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম।
📰 বিস্তারিত
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলে বাবা-মা দুঃখে ভেঙ্গে পড়েছেন। বাবা রিকশা চালানোর জীবিকা নিয়ে বলেছেন, ‘আমি কেউর কোনো ক্ষতি করছি না, কেউর লগে দুশমনিও নাই। আমার এই ক্ষতিটা কে, কেন করল?’
গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তরুণী নিখোঁজ হন। পরদিন প্রতিবেশীর বাগানে তাঁর লাশ পাওয়া যায়। প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণ ও হত্যার আলামত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘এ ঘটনায় এক বা একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
তরুণীর বাবা-মা দুঃখে ভেঙ্গে পড়েছেন। মায়ের বিলাপে বলেছেন, ‘আমার মাইয়াটারে কেউ ফুসলাইয়া নিয়া ক্ষতি করি মারছে। এইটা কি মানুষের কাম হইতে পারে?’ বাবাও কেঁদে বলেছেন, ‘আমি তো কেউর কোনো ক্ষতি করছি না, কেউর লগে দুশমনিও নাই। রিকশা চালাই খাই। আমার এই ক্ষতিটা কে, কেন করল?’
তরুণীর বাবা জানান, তাঁদের পরিবারে দুই মেয়ে আর দুই ছেলে। বড় মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন, কিন্তু পারিবারিক কলহের কারণে ওই মেয়ে এখন বাড়িতে থাকেন। ছোট মেয়ে শৈশব থেকেই বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। তিন নভেম্বর মাগরিবের আজানের পর থেকে মেয়েটির সন্ধান মিলছিল না। পরদিন সকালে তাঁর সন্ধানে এলাকায় মাইকিং করা হয়। প্রতিবেশীর বাড়ির বাগানে লাশ পাওয়া যায়। লাশটি তরুণীর বলে শনাক্ত করা হয়। তাঁর পরনের ওড়না গলায় শক্ত করে বাঁধা ছিল এবং পরনের কাপড় এলোমেলো ছিল।
"আমার মাইয়াটারে কেউ ফুসলাইয়া নিয়া ক্ষতি করি মারছে। এইটা কি মানুষের কাম হইতে পারে?"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জুড়ী উপজেলা, মৌলভীবাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নারগিস বেগম (৪০), রফিকুল ইসলাম (ওসি), সিরাজুল ইসলাম (ইউপি চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!