📌 চট্টগ্রামে আট বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণ করে ইটে মাথা ভাঙা হত্যার দায়ে পলাতক আসামি মো. ইমনকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত। ২০১৮ সালের ঘটনায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে এই রায় ঘোষণা করা হয়
চট্টগ্রামে একটি ভয়াবহ অপরাধের দায়ে পলাতক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত। আট বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণ করে ইট দিয়ে মাথা ভাঙা হত্যার দায়ে মো. ইমনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত-১-এর অতিরিক্ত দায়রা জজ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **চট্টগ্রামে ধর্ষণ-হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড**: মো. ইমনকে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণ করে ইটে মাথা ভাঙা হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত।
- 📌 **২০১৮ সালের ঘটনা**: ৮ মার্চ বিকেল ৪টার দিকে শিশু নিখোঁজ হয়, সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে তার মরদেহ পতেঙ্গা থানার খালপাড় চেয়ারম্যান গলিতে পাওয়া যায়।
- 📌 **ধর্ষণ-হত্যার ঘটনা**: শিশুটিকে পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়, ধর্ষণ করা হয়, পরে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়।
- 📌 **১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য**: মামলায় ১২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন, রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণের ভিত্তিতে রায় ঘোষণা করে।
- 📌 **পলাতক আসামির মৃত্যুদণ্ড**: ইমন পলাতক থাকায় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আইনজীবী নিয়োগ করা হয়, কিন্তু রায়ের পর তিনি আটক হননি।
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত-১-এর অতিরিক্ত দায়রা জজ নিষ্কৃতি হাগিদক আজ বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৮ মার্চ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আট বছরের শিশু নিখোঁজ হয়। পরে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে পতেঙ্গা মডেল থানার খালপাড় চেয়ারম্যান গলির একটি পরিত্যক্ত ভাড়া ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, আসামি মো. ইমন বরই খাওয়ানোর কথা বলে শিশুটিকে পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়। পরে বিষয়টি সবাইকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়। ঘটনার সময় ইমনের বয়স ছিল ২০ বছর।
শিশুটির বাবা বাদী হয়ে পতেঙ্গা থানায় হত্যা মামলা করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনাকারী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ইরফানুল হুদা ফারুকী বলেন, মামলায় মোট ১২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। আসামি ইমন পলাতক থাকায় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাঁর জন্য আইনজীবী নিয়োগ করা হয়। আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ রাষ্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হওয়ায় আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।
"মামলায় মোট ১২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। আসামি ইমন পলাতক থাকায় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাঁর জন্য আইনজীবী নিয়োগ করা হয়। আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ রাষ্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হওয়ায় আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম মহানগর, পতেঙ্গা মডেল থানা, খালপাড় চেয়ারম্যান গলি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ইমন (আসামি), শিশুটির বাবা (বাদী), অতিরিক্ত পিপি ইরফানুল হুদা ফারুকী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ বছর (শিশুর বয়স), ২০১৮ (ঘটনার বছর), ৮ মার্চ (ঘটনার তারিখ), ১২ জন (সাক্ষী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!