📌 ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের একটি ভাড়া বাসায় ২০১৯ সালে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে স্বামী মোহাম্মদ মিজানুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪। আসামি স্বীকারোক্তি দিয়েছেন এবং রায়ে জরিমানাও করা হয়েছে
৭ বছর আগের একটি ভয়াবহ ঘটনার দায়ে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের একটি স্বামীকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪। বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমানের রায় অনুযায়ী, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ওরফে মিজান হোসেনকে ২০১৯ সালের স্ত্রীহত্যার দায়ে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়েছে। রায়ে এক লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিজান হোসেনকে ২০১৯ সালের স্ত্রীহত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে
- 📌 ৭ বছর পর ট্রাইব্যুনাল-৪ রায় ঘোষণা করেছে
- 📌 মিজান স্বীকারোক্তি দিয়েছেন এবং রায়ে জরিমানা করা হয়েছে
- 📌 হাইকোর্টের অনুমোদন ছাড়া মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে না
- 📌 মিজান ভোলার চরফ্যাশন থানার বাসিন্দা
📰 বিস্তারিত
২০১৯ সালের ২৫ জুলাই সকাল ৭টার আগে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চর মীরেরবাগ এলাকায় মিজানুর রহমান তার স্ত্রী মোসা. রেহানাকে গলা টিপে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। ঘটনাস্থল ছিল একটি ভাড়া বাসা। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এরশাদুল আলম জর্জ জানান, আসামির বিরুদ্ধে যৌতুক দাবি এবং স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।
বিচারক মশিয়ার রহমানের রায়ে বলা হয়েছে, আসামির বিরুদ্ধে প্রমাণিত হওয়ায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগে হাইকোর্টের অনুমোদন নিতে হবে। আসামি চাইলে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। মিজানুর রহমান ভোলার চরফ্যাশন থানার পূর্ব মাদ্রাজ খাঁ বাড়ির মো. শামসুল ইসলাম ও রোসনা বেগমের ছেলে।
আজ রোববার ট্রাইব্যুনালে মিজানকে কারাগার থেকে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানাসহ তাকে কারাগারে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
"আসামির বিরুদ্ধে যৌতুক দাবি এবং যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ রাষ্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যার দায়ও স্বীকার করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, চর মীরেরবাগ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ওরফে মিজান হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ বছর (মামলার সময়কাল), ২৫ জুলাই ২০১৯ (ঘটনার তারিখ), ১ লাখ টাকা (জরিমানা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!