📌 মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক চিকিৎসা ভ্রমণের জন্য ভারতে যাবার সময় দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে গ্রেপ্তার হন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকার তথ্য পাওয়া যায় এবং পাসপোর্টে বিদেশ ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা ছিল
মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক চিকিৎসা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে ভারতে যাবার সময় দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে গ্রেপ্তার হন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক হন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকার তথ্য পাওয়া যায় এবং পাসপোর্টে বিদেশ ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা ছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ খালেক চিকিৎসা ভ্রমণের জন্য ভারতে যাবার সময় দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে গ্রেপ্তার হন
- 📌 তার পাসপোর্টে বিদেশ ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা থাকায় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করেন
- 📌 গোয়েন্দা সংস্থা থেকে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে গাংনী থানায় ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে
- 📌 এম এ খালেকের ছেলে আসিফ রেজা জানান, বাবা হার্টের সমস্যায় ভুগছেন এবং বাইপাস সার্জারি করার জন্য ভারতে নিয়ে যাচ্ছিলেন
- 📌 গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির বাড়ি মেহেরপুরের গাংনী বাজারের থানা রোড এলাকায় অবস্থিত
📰 বিস্তারিত
মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেকের পিতার নাম মোজাহার আলী বিশ্বাস। তিনি গাংনী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির ছেলে আসিফ রেজা জানান, বাবা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন এবং তার হার্টে ব্লক ছিল। তিনি বাইপাস সার্জারি করার জন্য ভারতে নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে তাকে আটকে দেওয়া হয়। আসিফ রেজা দাবি করেন, তার বাবার কোনো নিয়মিত মামলা নেই এবং যে মামলাগুলো রয়েছে, সেগুলোতে তিনি জামিনে রয়েছেন।
দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের এসআই তারেক জানান, এম এ খালেক চিকিৎসার জন্য মেডিকেল ভিসায় ভারতে যাবার উদ্দেশ্যে আসেন। তার কাগজপত্র যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায় তার পাসপোর্টে বিদেশ ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তার সম্পর্কে খোজখবর নেওয়া হয় এবং জানা যায় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এম এ খালেকের বিরুদ্ধে গাংনী থানায় ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল একটি মামলা করা হয়েছিল। মামলা নম্বর ১৫। বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ১৫(৩)/২৫ডি ধারায় করা ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গোয়েন্দা সদস্যরা দর্শনা ইমিগ্রেশন থেকে তাকে গাংনী থানার মামলায় আটক দেখিয়ে নিয়ে যান।
"আমার বাবা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। তার হার্টে ব্লক রয়েছে। বাইপাস সার্জারি করানোর জন্য তাকে ভারতে নিয়ে যাচ্ছিলাম। কিন্তু ইমিগ্রেশনে তাকে আটকে দেওয়া হয়। আমার জানামতে, আমার বাবার নামে কোনো নিয়মিত মামলা নেই। যে কয়টি মামলা রয়েছে, সেগুলোতে তিনি জামিনে রয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, মেহেরপুর জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এম এ খালেক (মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক), আসিফ রেজা (ছেলে), মোজাহার আলী বিশ্বাস (পিতা), এসআই তারেক (দর্শনা ইমিগ্রেশন)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৩ এপ্রিল ২০২৫, মামলা নম্বর ১৫
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!