📌 পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজির ভাড়া দেওয়া বাসায় অভিযানে মাদক পরীক্ষা ছাড়া ৮৫ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ জন নারী। অভিযানের পিছনে নানা প্রশ্ন উঠেছে, যেমন: কেন মাদক পরীক্ষা করা হয়নি, কীভাবে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ল, এবং কেন সিসি ক্যামেরার ফুটেজ জব্দ তালিকায় নেই
পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজির ব্যক্তিগত বাসায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ৮৫ জনের মধ্যে ২৬ জন নারীসহ সবাইকে মাদক পরীক্ষা ছাড়া কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই সাজা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে যে, কেন মাদক পরীক্ষা করা হয়নি এবং অভিযানের পিছনে কী ঘটনা ঘটেছে। ১৯ অক্টোবর রাতে ঢাকার পুলিশ অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি-১-এর একটি বাসায় এই অভিযান চালানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকার পুলিশ অফিসার্স হাউজিং সোসাইটির একটি বাসায় অভিযানে ৮৫ জনের মধ্যে ২৬ জন নারীসহ সবাইকে মাদক পরীক্ষা ছাড়া কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
- 📌 বাদ্যযন্ত্রশিল্পী ছেলেকে মাদক গ্রহণের অভিযোগে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হলেও মাদক পরীক্ষা করা হয়নি।
- 📌 অভিযানে আটক ৮৫ জনের মধ্যে ২৬ জন নারীকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পুরুষদের এক মাসের কারাদণ্ড এবং ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
- 📌 অভিযানের সময় বাড়ির সিসি ক্যামেরার ফুটেজের মেমরি কার্ড জব্দ তালিকায় নেই এবং ক্যামেরাগুলো খোলা হয়েছে।
- 📌 অভিযানের ঘটনা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে, যেমন: কেন মাদক পরীক্ষা ছাড়া সাজা দেওয়া হলো, কীভাবে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ল, এবং কেন সিসি ক্যামেরার ফুটেজ জব্দ তালিকায় নেই।
- 📌 অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের বাসাটি অনুষ্ঠানের জন্য ভাড়া দেওয়া হতো, যা এয়ারবিএনবি, ট্রাভেলাত এবং ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে করা হতো।
📰 বিস্তারিত
১৯ অক্টোবর রাতে ঢাকার পুলিশ অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি-১-এর একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়। এই বাসাটি পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের। অভিযানে ৮৫ জনের মধ্যে ২৬ জন নারীসহ সবাইকে মাদক পরীক্ষা ছাড়া কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাদ্যযন্ত্রশিল্পী ছেলেকে মাদক গ্রহণের অভিযোগে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হলেও মাদক পরীক্ষা করা হয়নি। তাঁর বাবা জানান, তাঁর ছেলে অনুষ্ঠানে বাদ্যযন্ত্র বাজানোর কাজ পেয়ে গিয়েছিলেন।
অভিযানের সময় বাড়ির সিসি ক্যামেরার ফুটেজের মেমরি কার্ড জব্দ তালিকায় নেই এবং ক্যামেরাগুলো খোলা হয়েছে। অভিযানের সময় পুলিশ সদস্যরা বাড়িতে উপস্থিত ৮৫ জনকে জোর করে দুটি কক্ষে ঢোকিয়ে দিয়েছিল। এতে প্রায় আধা ঘণ্টা সময় লাগে। অভিযানের সময় বাড়িতে কোনো মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়নি, তবে দুটি খালি মদের বোতল পাওয়া যায়।
অভিযানের ঘটনা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। প্রথম প্রশ্ন, কেন মাদক পরীক্ষা ছাড়া সাজা দেওয়া হলো? দ্বিতীয় প্রশ্ন, সবাইকে দুটি কক্ষে ঢুকিয়ে পুলিশের করা ভিডিও কীভাবে ছড়িয়ে পড়ল? তৃতীয় প্রশ্ন, অতিরিক্ত ডিআইজির বাসার আশপাশের প্লটগুলো ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও জনশান্তি কীভাবে বিঘ্নিত হলো? চতুর্থ প্রশ্ন, ডিবি কেন অভিযানের আগে ভবনের সিসি ক্যামেরা খুলে ফেলল, সিসি ক্যামেরার ফুটেজের মেমরি কার্ড এখন কোথায় এবং তা কেন জব্দ তালিকায় নেই?
অভিযানের ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন সংগঠন বিবৃতি দিয়েছে এবং স্বাধীন তদন্তের দাবিও উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরকে। তিনি জানান, তাঁর বাসাটি অনুষ্ঠানের জন্য ভাড়া দেওয়া হতো এবং এয়ারবিএনবি, ট্রাভেলাত এবং ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে বাসাটি নিবন্ধিত ছিল।
"তাঁর ছেলে অতিরিক্ত ডিআইজির ভাড়া দেওয়া বাসায় গিয়েছিলেন অনুষ্ঠানে বাদ্যযন্ত্র বাজানোর কাজ পেয়ে। তাঁকে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদক গ্রহণের অভিযোগে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন। অথচ তাঁর ছেলে মাদক গ্রহণ করেছিলেন কি না, সেই পরীক্ষা করা হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার পুলিশ অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি-১, ভাটারার পুলিশ অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি-১ আবাসিক এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল্লাহ আল জহির (অতিরিক্ত ডিআইজি), বাদ্যযন্ত্রশিল্পী (৮৫ জনের মধ্যে একজন)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৫ জন আটক, ২৬ জন নারী, ১৫ দিনের কারাদণ্ড (নারীদের জন্য), ৫০০ টাকা জরিমানা (নারীদের জন্য), ১ মাসের কারাদণ্ড (পুরুষদের জন্য), ১ হাজার টাকা জরিমানা (পুরুষদের জন্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!