📌 দিনাজপুরের বিরামপুরে মাদ্রাসা শিক্ষক হাসান আলী (২৫) তিন শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন। আদালতে স্বীকারোক্তি দিলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তদন্তে জানা যায়, তিনি এক বছরে সাতজন শিক্ষার্থীকে নির্যাতন করেছেন এবং ভিডিও ধারণ করেছেন। মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটি দুঃখ প্রকাশ করে
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক তিন শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন এবং আদালতে স্বীকারোক্তি দিলে কারাগারে পাঠানো হয়। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম হাসান আলী (২৫), যিনি নবাবগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। তিনি এক বছর ধরে এই মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিনাজপুরের বিরামপুরে মাদ্রাসা শিক্ষক হাসান আলী (২৫) তিন শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন এবং আদালতে স্বীকারোক্তি দেন
- 📌 গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষক ভিডিওতে স্বীকার করেন যে, তিনি এক বছরে সাতজন শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেছেন এবং তাদের নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করেছেন
- 📌 তদন্ত কর্মকর্তা বিরামপুর থানার উপপরিদর্শক সোহেল রানা জানান, আসামির বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত চলছে এবং চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হবে
- 📌 মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি জানান, মাদ্রাসাটি ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং শিক্ষকদের অভাবের কারণে আলী হাসানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
গত শুক্রবার ভোরে বিরামপুর উপজেলার একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় গ্রামবাসীরা শিক্ষক হাসান আলীকে ধর্ষণ অভিযোগে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। আদালতে আসার সময় জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জয়নুল আবেদীনকে সামনে রেখে হাসান আলী তিন শিশুকে ধর্ষণের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
তদন্ত কর্মকর্তা বিরামপুর থানার উপপরিদর্শক সোহেল রানা জানান, “আমাদের তদন্তে জানা যায়, আসামি তিন শিশুকে ধর্ষণ করেছেন। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন এবং কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আসামির বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত চলছে এবং চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হবে।”
গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষকের একটি ভিডিও স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদের সময় প্রথম আলোতে পৌঁছেছে। ভিডিওতে তিনি স্বীকার করেন যে, তিনি বিভিন্ন সময় মাদ্রাসার সাতজন শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেছেন এবং তাদের নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করেছেন। তিনি আরও জানান, বিভিন্ন মাদ্রাসার দুই থেকে আড়াই শত শিক্ষার্থীর সঙ্গে একই রকম কাণ্ড ঘটিয়েছেন।
মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি উপজেলা বিএনপির একজন নেতা প্রথম আলোকে বলেন, “মাদ্রাসাটি ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত। মাদ্রাসাটি একজন শিক্ষক দিয়েই পরিচালিত হয়ে আসছে। স্থানীয় দানশীল ব্যক্তি ও কমিটির সদস্যদের আর্থিক সহযোগিতায় মাদ্রাসাটি পরিচালিত হয়। প্রতিষ্ঠার দুই বছর পর একজন শিক্ষক চাকরি ছেড়ে চলে গেলে সেখানে আলী হাসানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক এবং মাদ্রাসার অনেক দুর্নাম হয়ে গেছে।”
"তিনি বিভিন্ন সময় ওই মাদ্রাসার সাতজন শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেছেন। এসবের ভিডিও ধারণ করে রাখতেন। সব মিলিয়ে বিভিন্ন মাদ্রাসার দুই থেকে আড়াই শত শিক্ষার্থীর সঙ্গে একই রকম কাণ্ড ঘটিয়েছেন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিরামপুর উপজেলা, দিনাজপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাসান আলী (২৫), জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জয়নুল আবেদীন, উপপরিদর্শক সোহেল রানা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর (হাসান আলী), ৩ শিশু, ৭ শিক্ষার্থী, ২০২০ (মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!