📌 কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী শিক্ষার্থী অপ্রতিমের হত্যাকাণ্ডে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে একটি ব্যক্তিকে আটক করেছে। মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ব্যাপক তদন্ত চলছে
কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতিমের হত্যাকাণ্ডে পুলিশের তদন্তে নতুন তথ্য উঠে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজে অপ্রতিমের সঙ্গে সন্দেহজনক ব্যক্তির দেখা মিলেছে এবং একজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পরিবার ও শিক্ষার্থীদের ব্যাপক অনুসন্ধান চলছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজে অপ্রতিমের সঙ্গে ক্যাপ পরা সন্দেহজনক ব্যক্তির দেখা মিলেছে
- 📌 একজনকে আটক করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে
- 📌 মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয় যুবক মোহাম্মদ আব্দুল কাদির জ্বিলানী প্রথম সন্ধান পেয়েছিলেন
- 📌 অপ্রতিমের মা ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ছিলেন তিনি
- 📌 ঘটনাস্থলে পরিবার ও শিক্ষার্থীদের ব্যাপক অনুসন্ধান চলছিল
📰 বিস্তারিত
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ছিলেন ১৩ বছর বয়সী শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার, যিনি অপ্রতিম নামে পরিচিত। শুক্রবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে বেরিয়ে গিয়ে সন্ধ্যায় ফিরে আসেননি। পরিবার ও পরিচিতজনদের ব্যাপক অনুসন্ধানের পর শনিবার দুপুরে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার জঙ্গল থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে অপ্রতিমের সঙ্গে ক্যাপ পরা আরেকজন ব্যক্তির দেখা গিয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এম এম শরিফুল করিম বলেছেন, “ছেলেটি অপ্রতিমের থেকে বয়সে বড় এবং তার হাটাচলাও সন্দেহজনক মনে হয়েছে। সেখান থেকে আমরা পুলিশকে বিষয়টা জানিয়েছি।”
মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয় যুবক মোহাম্মদ আব্দুল কাদির জ্বিলানী প্রথম সন্ধান পেয়েছিলেন। তিনি জানান, “আমার ভাতিজা প্রথমে জঙ্গলে একটা বাচ্চাকে পড়ে থাকতে দেখে। আমাকে বললে কাছে এসে দেখি বাচ্চাটা পড়ে আছে, মাথায় রক্ত। দেখে আমরা ভয় পেয়ে কাজ ফেলে চলে গেছি।”
ঘটনায় জড়িতদের ধরতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ সুপার মো: আনিসুজ্জামান জানিয়েছেন, “এটা কী শুধুই একটা আইফোন ছিল নাকি এর সাথে আরও অন্য কিছু যুক্ত ছিল এই বিষয়টি আমরা সঠিকভাবে খতিয়ে দেখছি।”
"রাতে আমাদের ছেলারা, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, অন্যান্য সংগঠনের ছেলেমেয়েরা ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তাকে খোঁজার চেষ্টা করছি। সারারাত ধরে আমরা দলে দলে ভাগ হয়ে খুঁজছি,
"সিসি ক্যামেরার ভিডিও পর্যবেক্ষণের সময় আমরা একটি ভিডিওতে দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় গেইটে অপ্রতীমকে দেখা যায়।"
"ছেলেটি অপ্রতীমের থেকে বয়সে বড় এবং তার হাটাচলাও সন্দেহজনক মনে হয়েছে। সেখান থেকে আমরা পুলিশকে বিষয়টা জানায়,
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকা, কোটবাড়ি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইশায়াত শাহরিয়ার (অপ্রতিম), ড. নাহিদা বেগম, মোহাম্মদ আব্দুল কাদির জ্বিলানী, পুলিশ সুপার মো: আনিসুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ বছর (অপ্রতিমের বয়স), ২৪ নম্বর ওয়ার্ড (কোটবাড়ি), ৩:৩০ টা (বেরিয়ে যাওয়া সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!