📌 সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার গত ২ সেপ্টেম্বর খুলনা জেলার দু’টি থানায় অনলাইন জুয়া ও অর্থপাচারের চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রাকিবুল ইসলাম (৩০), আরিফুল ইসলাম আরজু (২৬), শেখ সাকির আহম্মেদ ও মিয়ানুল ইসলাম অয়ন (২৯)। তদন্তে জানা যায়, এ চক্রের মাধ্যমে ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করে অর্থ বিদেশে পাচার করা হতো
সিআইডির সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশনস শাখা গত ২ সেপ্টেম্বর খুলনা জেলার খানজাহান আলী ও খালিশপুর থানা এলাকায় অনলাইন জুয়া পরিচালনা ও অবৈধ অর্থপাচারের চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। এই অভিযানটি ছিলো সাইবার মনিটরিং সেলের নিয়মিত অনলাইন মনিটরিং কার্যক্রমের অংশ। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিবর্গ হলেন মো. রাকিবুল ইসলাম (৩০), আরিফুল ইসলাম আরজু (২৬), শেখ সাকির আহম্মেদ ও মিয়ানুল ইসলাম অয়ন (২৯)।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার: খুলনা জেলার খানজাহান আলী ও খালিশপুর থানায় সিআইডি সাইবার পুলিশ সেন্টার গত ২ সেপ্টেম্বর অনলাইন জুয়া ও অর্থপাচার চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে।
- 📌 অবৈধ অর্থপাচার: তদন্তে জানা যায়, সংগৃহীত অর্থ বাইন্যান্সের মতো প্ল্যাটফর্মে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে রূপান্তর করে বিদেশে পাচার করা হতো।
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপন: অনলাইন জুয়া ওয়েবসাইটের বিজ্ঞাপন বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করে সাধারণ মানুষকে জুয়ায় প্রলুব্ধ করা হতো।
- 📌 ব্যবহারকারীদের টার্গেট: ব্যবহারকারীদের প্রথমে ‘টপ-আপ’ বা ডিপোজিট করতে হতো, যা এমএফএস, ব্যাংক হিসাব এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করে করা হতো।
- 📌 রিমান্ডে পাঠানো: গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিবর্গ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের (সিপিসি) সাইবার মনিটরিং সেলের নিয়মিত অনলাইন মনিটরিং কার্যক্রমে দেশে ও বিদেশে অবস্থানকারী একটি সংঘবদ্ধ চক্রের অনলাইন জুয়া কার্যক্রমের তথ্য পাওয়া যায়। এই ওয়েবসাইটগুলোতে সাধারণ মানুষকে জুয়ায় আকৃষ্ট করার জন্য বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হতো। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, ব্যবহারকারীদের প্রথমে ‘টপ-আপ’ বা ডিপোজিট করতে হতো, যা এমএফএস, ব্যাংক হিসাব এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করে করা হতো। অর্থ জমা হওয়ার পর ব্যবহারকারীর বেটিং অ্যাকাউন্টে সমপরিমাণ ই-মানি যুক্ত করা হতো, যা পরবর্তীতে জুয়ায় ব্যবহৃত হতো।
তদন্তে আরও জানা যায়, এসব অবৈধ লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত এমএফএস এজেন্ট নম্বর ও ব্যাংক হিসাবগুলো নিয়মিত পরিবর্তন করা হতো। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের এজেন্টদের কাছ থেকে এসব নম্বর ও হিসাব সংগ্রহ করে টেলিগ্রামসহ নানা যোগাযোগমাধ্যমে বেটিং সাইট পরিচালনাকারীদের কাছে পাঠানো হতো। পরবর্তীতে তা বেটিং সাইটে প্রদর্শন করা হলে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবহারকারীরা সেখানে অর্থ লেনদেন করতেন। সংগৃহীত অর্থ থেকে এজেন্টরা নির্দিষ্ট কমিশন রেখে অবশিষ্ট টাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব হিসাবে স্থানান্তর করতেন। পরবর্তীতে বাইন্যান্সের মতো প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তা ক্রিপ্টোকারেন্সিতে রূপান্তর করে বিদেশে পাচার করা হতো বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সাইবার মনিটরিং সেলে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ ও প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে সিআইডির পক্ষ থেকে পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। তদন্তের মাধ্যমে অনলাইন জুয়া ও অর্থপাচার চক্রের মূল হোতাসহ দেশি-বিদেশি অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
"সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। শুক্রবার সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি বলেছেন, যেকোনো অপশক্তির বিরুদ্ধে সরকারের পাশে থাকতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা জেলা (খানজাহান আলী ও খালিশপুর থানা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রাকিবুল ইসলাম (৩০), আরিফুল ইসলাম আরজু (২৬), শেখ সাকির আহম্মেদ, মিয়ানুল ইসলাম অয়ন (২৯)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, ২ সেপ্টেম্বর অভিযান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!